নিউজিল্যান্ডের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় কিশোরগঞ্জের মেয়ে গুরুত্বর আহত

শাহজাহান সাজু: নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল নূর মসজিদে যখন হামলা হয় তখন সাজেদা আক্তার (২৬) ও তার স্বামী মাসুদ মিয়া (৩২) মসজিদের ভেতরেই ছিলেন। সাজেদা আক্তারের বাড়ি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চন্ডিপাশা গ্রামে। তার বাবার নাম গোলাপ মিয়া।

তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সাজেদা আক্তার ৩য় সন্তান। সাজেদা আক্তারের স্বামী মাসুদ মিয়ার বাড়ি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার দক্ষিণ অষ্টঘড়িয়া গ্রামে। তার বাবার নাম জালাল বেপারী।

৩ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে মাসুদ মিয়া ২য় সন্তান। ৫ বছর আগে তাদের বিবাহ হয়। বিয়ের পরপরই স্বামী মাসুদ মিয়া নিউজিল্যান্ডে পাড়ি জমায়।

২ বছর পর স্ত্রী সাজেদা আক্তারকে নিউজিল্যান্ডে নিয়ে যান। বর্তমানে দুজনেই চাকরিরত আছেন। আল নূর মসজিদ থেকে তাদের বাসা ৫ মিনিটের পথ মাত্র। এই মসজিদে তারা স্বামী-স্ত্রী দুজনে প্রায়ই নামাজ পড়তে যান। ওই দিন শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়তে দুজনই যখন মসজিদের ভিতরে অবস্থান করছিলেন তখনই হঠাৎ সন্ত্রাসী হামলা শুরু হয়। এলোপাতাড়ি গুলির একপর্যায়ে সাজেদা আক্তারের বুকের বামপাশে দুটি গুলি বিদ্ধ হয়। সন্ত্রাসী হামলার পরপরই পুলিশ তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করে।

বর্তমানে তিনি উক্ত হাসপাতালের আইসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। তার স্বামী মাসুদ মিয়া গুলিবিদ্ধ হননি। ভাগ্যের জোরে তিনি বেঁচে গেছেন। এছাড়াও ক্রাইস্টচার্চ সন্ত্রাসী হামলার সময় আল নূর মসজিদে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর মুমুরদিয়া ইউনিয়নের ধনকীপাড়া গ্রামের উমর জাহিদ মাসুম (৩৪) এবং আফসানা আক্তার ঋতুও (৩০) উপস্থিত ছিলেন। ভাগ্যের জোরে এরা দুজনেই বেঁচে গেছেন।

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries