কিশোরগঞ্জ-১ আসন আ’লীগের মনোনয়ন যুদ্ধে সৈয়দ আশরাফ কন্যা রীমা ও মশিউর রহমান হুমায়ুন

হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা ঃ

কিশোরগঞ্জ-১ (হোসেনপুর-কিশোরগঞ্জ সদর) আসনের পূনঃ নির্বাচনকে সামনে রেখে সর্বত্রই ফের নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে বেশ জোড়েসুরে। গত মঙ্গলবার তফসিল ঘোষনার পরপরই সরগরম গয়ে ওঠে হোসেনপুর ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাচনী মাঠ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সবজায়গায় আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছেন গত নির্বাচনের এ আসনের বিকল্প প্রার্থী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় নেতা ও সাবেক কৃষি ব্যাংকের পরিচালক কৃষিবিদ মশিউর রহমান হুমায়ুন ও আওয়ামীলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য,সাবেক সাধারন সম্পাদক ও সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের এক মাত্র কন্যা সৈয়দা রীমা ইসলাম ও সৈয়দ আশরাফের ছোট ভাই সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অবঃ) মোঃ সাফায়াতুল ইসলামের নাম। তবে একটি বিশ্বস্থসূত্র জানায়, সৈয়দা রীমা ইসলাম যদি নির্বাচন করতে আগ্রহী না হয় তবে সৈয়দ পরিবার থেকে সৈয়দ আশরাফের ভাই-বোনদের যে কেউ এ আসনে নৌকার কান্ডারী হিসেবে বিবেচনায় আসতে পারেন। অন্যদিকে নির্লোভ পিতার উচ্চ শিক্ষিতা কন্যা রীমা ইসলামকে নৌকার কান্ডারী হিসেবে দলের হাই কমান্ড বিবেচনায় আনবে এমটাই প্রত্যাশা কিশোরগঞ্জবাসীর। সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও নানা শ্রেণী পেশার মানুষ রীমা ইসলামকে এ আসনে প্রার্থী করা পক্ষে মতামত পেশ করেন। প্রসঙ্গত, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও বাংলাদেশ বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারি অবসর বোর্ডের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মোঃ শরিফ সাদী, প্রবীন সাংবাদিক সুবীর বসাকসহ অনেক সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগন প্রয়াত সৈয়দ আশরাফ কন্যা রীমা ইসলামের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলেন, সততা ও আদর্শের মাপ কাটিতে রীমাই পিতার একমাত্র যোগ্য উত্তরসুরি। তিনি এমপি নির্বাচিত হলে পিতার মত ত্যাগী মনোভাব নিয়ে এ আসনের সার্বিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারবেন। তাদের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনা এ আসনের উপ-নির্বাচনে রীমা ইসলামের মনোনয়নের বিষয়টি সার্বিক ভাবে বিবেচনায় এনে তাকে এমপি হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবেন। কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে রীমা ইসলামের পিতা প্রয়াত সৈয়দ আশরাফ ১৯৯৬ সাল থেকে শুরু করে একাধারে পাঁচবার এমপি নির্বাচিত হন। তিনি ইতিপূর্বে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ,স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, জনপ্রশাসন মন্ত্রী, আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্যের দায়িত্ব পালন করেন। বর্ষিয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ফুসফুসে ক্যানসার জনিত জঠিল রোগে আক্রান্ত হয়ে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করে কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়ে শপথ নেওয়ার আগেই তিনি গত ৩ জানুয়ারি বৃহঃস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় চলে যান না ফেরার দেশে। ফলে গত মঙ্গলবার আসনটি শুন্য ঘোষনা করে তফসিল প্রকাশ করেন নির্বাচন কমিশন। সে অনুযায়ী মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ তারিখ ৩১ জানুয়ারি,যাচাই-বাছাই ৩ ফেব্রুয়ারি,প্রত্যাহারের শেষ দিন ১০ ফেব্রুয়ারি ও ভোট গ্রহন ২৮ ফেব্রুয়ারি। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লক্ষ ৩০ হাজার ১৮৭ জন।

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries