তাড়াইলে মন্ত্রীত্ব নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ
আমিনুল ইসলাম বাবুল :
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মহাবিজয়ের পর কিশোরগঞ্জ জেলা থেকে কতজন মন্ত্রীত্ব পাচ্ছেন তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই জেলার নির্বাচিত ছয়জন সংসদ সদস্যের মধ্যে পাঁচজন আওয়ামী লীগের এবং একজন মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির। তাঁদের মধ্যে মন্ত্রীসভায় কারা ঠাঁই পাচ্ছেন, তার হিসাবনিকাশ শুরু হয়েছে নির্বাচনের ফলাফল পাওয়ার পর থেকেই।
কিশোরগঞ্জের ছয়জন সংসদ সদস্যের মধ্যে দুইজনের মন্ত্রিত্বের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁরা হলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোটে মো. মুজিবুল হক চুন্নু।
এই দুইজনের মধ্যে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর-হোসেনপুর) আসন থেকে টানা পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এলজিআরডি মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে নতুন মন্ত্রীসভায়ও তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাবেন বলে কিশোরগঞ্জবাসী প্রত্যাশা করছেন।
অন্যদিকে অ্যাডভোটে মো. মুজিবুল হক চুন্নু কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসন থেকে টানা তৃতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগেও এরশাদ সরকারের সময়ে তিনি দুইবার সংসদে এই আসনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ওই আসন থেকে তিনি মোট পঞ্চমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এরশাদ সরকারের সময়ে তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভূমি উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনও করেছেন। এছাড়া ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মহাজোট সরকারের মন্ত্রীসভায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ মেয়াদে অ্যাডভোটে মো. মুজিবুল হক চুন্নু শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় পার্টিকে এবারও মন্ত্রীসভায় রাখা হলে তিনি আবারও মন্ত্রীসভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের ঠাঁই পাবেন, এমন প্রত্যাশা তাঁর সংসদীয় আসনের লোকজনসহ কিশোরগঞ্জবাসীর
