মানবপাচার চক্রের মূলহোতা র‍্যাবের হাতে আটক

মেরাজ নাছিম :

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মানব পাচারকারী চক্রের দুই মামলার প্রধান আসামি জামাল মিয়া (৫৫) কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

রবিবার (২০ অক্টোবর) সকালে ভৈরব জগন্নাথপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মানব পাচারকারী জামাল মিয়া পৌর শহরের জগন্নাথপুর এলাকার মৃত মুসলিম মিয়ার ছেলে।

র‌্যাব জানায়, ভৈরব থানায় হওয়া চাঞ্চল্যকর দুইটি মানব পাচার মামলার প্রধান আসামি জামাল মিয়া। মানব পাচার চক্রের অন্যান্য সদস্যরা জামাল মিয়ার নেতৃত্বে ভৈরবের বেকার ছেলেদের ইতালি পাঠানোর কথা বলে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে প্রায় ১ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্তু ইতালি না পাঠিয়ে লিবিয়ার ত্রিপলিতে পাঠিয়ে ওই দেশে থাকা মানব পাচার চক্রের অন্য সদস্যদের কাছে বিক্রি করে দেয়। সেখানে তাদের বন্দি করে মুক্তিপণ হিসেবে পুনরায় টাকা নেয় চক্রটি। টাকা না দিতে পারলে মেরে ফেলার হুমকি দেয় জিম্মিদের।এমন একটি ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. বাদল মিয়া ও মো. কাওছার মিয়া বাদী হয়ে ভৈরব থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।

ভৈরব র‌্যাব ক্যাম্প স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি মো. শহিদুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলা হওয়ার পর থেকে পালিয়ে বেড়ায় জামাল মিয়া। এমনকি মামলার অন্যান্য আসামিরাও পলাতক রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সকাল ১০টার দিকে জগন্নাথপুর এলাকা থেকে জামালকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরও জানান, জামালসহ মানবপাচারকারীরা বিদেশে পাঠানোর কথা বলে অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। এই চক্রের দ্বারা ভৈরবে অনেক পরিবার সর্বস্বান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে অনেক পরিবারকে এই চক্রের সদস্যরা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মামলা করা থেকে বিরত রেখেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে জামালকে ভৈরব থানায় হস্তান্তর করা হয়। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হাসমত উল্লাহ বলেন, গ্রেপ্তারকৃত জামালকে রোববার বিকালে আদালতের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries