৩,৩৫০ কোটি ডলারের টিকা বিক্রির আশা ফাইজারের

কোভিড-১৯ রুখতে সারা পৃথিবী এখন টিকার জন্য উন্মুখ। এতে বাড়ছে টিকা উৎপাদকদের আয়ও। গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের টিকা উৎপাদক ফাইজার ও তার সহযোগী জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেক জানিয়েছে, এ বছর শেষে তারা ৩ হাজার ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলারের টিকা বিক্রির আশা করছে।রয়টার্স জানাচ্ছে, ফাইজার ও বায়োএনটেক বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এখন পর্যন্ত ২১০ কোটি ডোজ টিকা বিক্রির চুক্তি করেছে। প্রতিষ্ঠান দুটি আশা করছে, এ বছর তারা ৩০০ কোটি ডোজ টিকা উৎপাদন করতে পারবে। টিকার চুক্তি বাড়লে আয়ও বাড়বে। গত ডিসেম্বরে ফাইজারের টিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পায়। এতে প্রতিযোগী অন্য টিকা উৎপাদকদের থেকে এগিয়ে যায় তারা।

ফাইজারের অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী জনসন অ্যান্ড জনসন এ বছর ২৫০ কোটি ডলার বিক্রির পূর্বাভাস দিয়েছে। আর মডার্না পূর্বাভাস দিয়েছে ১ হাজার ২০ কোটি মার্কিন ডলারের।
ফাইজার ধারণা করছে, করোনা থেকে মুক্তি পেতে ভবিষ্যতে তৃতীয় ডোজ টিকা নেওয়ার প্রয়োজন হবে। তাই যদি হয়, ২০২২ সালে ফাইজারের আয় আরও বৃদ্ধি পাবে। গতকাল তারা জানিয়েছে, আগস্টের শুরুতে তারা সম্ভাব্য তৃতীয় ডোজের জরুরি অনুমোদনের আবেদন করতে পারে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজের শীর্ষ চিকিৎসা কর্মকর্তা অ্যান্টনি ফাউসি বলেছেন, যেসব আমেরিকানের প্রতিরোধক্ষমতা আছে, তাদের তৃতীয় ডোজ লাগবে না। আর এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের ডেলটা ভেরিয়েন্ট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র ভালো করছে।

যুক্তরাষ্ট্র গত সপ্তাহে ফাইজার-বায়োএনটেকের কাছ থেকে ২০ কোটির বেশি টিকা কিনেছে। এ টিকা শিশুদের দেওয়া হবে। আর প্রাপ্তবয়স্কদের তৃতীয় ডোজ টিকা দেওয়ার প্রয়োজন হলে তা–ও দেওয়া হবে।

এর আগে গত মে মাসে ফাইজার-বায়োএনটেক ২০২০ সালে ২ হাজার ৬০০ কোটি ডলার আয়ের পূর্বাভাস দিয়েছিল। টিকা বাবদ আয় যাই হোক, তা ফাইজার ও বায়োএনটেকের মধ্যে সমান ভাগ হবে।

Source: Prothomalo

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries