ভৈরবে ১ কোটি টাকা মূল্যের ৩০লাখ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ
এম.এ হালিম: ভৈরবে প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের ৩০লাখ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে প্রশাসন। দীর্ঘ দিন ধরে বাজারে অসাধু জাল ব্যবসায়ীরা সরকার নিষিদ্ধ অবৈধ কারেন্ট জাল বিক্রি করে আসছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালানো হয়। ফলে দুইটি জাল ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের বিশাল ্েগাদাম থেকে বিপুল পরিমাণে অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার করে ভ্রাম্যমান আদালত।
এসময় অবৈধ এই কারেন্ট জাল বিক্রির সাথে জড়িত থাকার দায়ে ৩জনকে আটক করা হয়। জব্ধকৃত এসব কারেন্ট জাল আগুণে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় । ৯অক্টোবর থেকে আগামী ৩০অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরা,বিক্রি, মজুদ ও পরিবহনের উপর নিষেদাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ বিভাগ। স্থানীয় প্রশাসন বলছে এ নির্দেশনা পালনে ভৈরবের অবৈধ কারেন্টজাল ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে ।
ভৈরব চক বাজারের সুলতান মোড় এলাকায় আল আমিন ও শাহজাহান মিয়ার দুটি গোদামে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আনিসুজ্জামান এর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে এসব নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
এসময় যোবায়ের মিয়া , সুমন মিয়া ও মিলন মিয়া কে আটক করা হয়। পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা লুবনা ফারজানার উপস্থিতিতে জব্দকৃত কোটি টাকার নিষিদ্ধি কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংশ করা হয়। অভিযানে আলআমিন মিয়ার গোদামের মালিক আব্দুর রউফ এর ছেলে আটককৃত যোবায়ের কে পাচঁ হাজার টাকা অনাদায়ে ১৫দিনের জেল, সুমন মিয়াকে পাচঁ হাজার টাকা অনাদায়ে ১৫দিনের জেল ও লেবার মিলন মিয়া কে দুই হাজার টাকা অনাদায়ে ১০দিনের জেল প্রদান করেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ আনিসুজ্জামান। পরে আটকৃত প্রত্যেকে জরিমানার অর্থদন্ড পরিশোধ করেন।
এর আগে চড়াদামে পেয়াজঁ বিক্রির দায়ে বেদন মিয়া ও সুমন ,িময়া নামে ২ পেয়াজঁ ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার কওে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্র্যম্যমান আদালত ।
এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা সহকারি কমিশনার ( ভূমি) মোঃ আনিসুজ্জামান বলেন,মৎস্য সংরন সুরা আইনে ভ্র্যাম্যমান আদারত পরিচালনা করে ১ কোটি টাকা মূল্যের ৩০ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দসহ ৩ জনকে আটক কওে জরিমানা করা হয়েছে । অভিযান অব্যাহত থাকবে ।
এ বিষয়ে ২ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ লতিফুর রহমান বলেন, মাছ উৎপাদন কমে যাওয়ার প্রধান কারন হচ্ছে কারেন্ট জাল। যদি কারেন্ট জাল ব্যবহার বন্ধ করা যায় তাহলে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে ।
এ বিষয়ে অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা লুবনা ফারজানা বলেন, ৯অক্টোবর থেকে আগামী ৩০অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরা,বিক্রি, মজুদ ও পরিবহনের উপর নিষেদাজ্ঞা জারি করেছেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রনালয়। এ নির্দেশনা পালনে ভৈরবের অবৈধ কারেন্টজাল ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

