অষ্টগ্রামে ভাইসচেয়ারম্যানের স্ত্রীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য

স্টাফ রিপোর্টার

অষ্টগ্রাম উপজেলা পরিষদের ভাইসচেয়ারম্যান মানিক কুমার দেব এর স্ত্রী লিপি দেব (৩৫) এর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের লোকজন বিষয়টিকে হত্যাকা- বলে দাবি করছেন। অন্যদিকে ভাইসচেয়ারম্যান স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলছেন, এটি ‘আত্মহত্যা’। নিহত লিপি দেব ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদরের দত্তপাড়ার মৃত তুলসী দেবের মেয়ে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৪/১৫ বছর আগে অষ্টগ্রাম উপজেলা সদরের কুতুব মসজিদ পাড়ার মানিক কুমার দেব এর সাথে লিপি দেব এর বিয়ে হয়। তাদের দুই ছেলে সন্তানের মধ্যে বছর দু’য়েক আগে বড় ছেলে শুভ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এরপর থেকে মানিক কুমার দেব এর পরিবারের লোকজনের সাথে স্ত্রী লিপি দেব এর নানা বিষয় নিয়ে মতবিরোধ থেকে কলহ চলে আসছিল। এ রকম পরিস্থিতিতে ভাইসচেয়ারম্যান স্বামীর অনুপস্থিতিতে শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টার দিকে ঘরের দরজা আটকে বিষপান করেন লিপি দেব। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভাইচেয়ারম্যান মানিকের চাচাতো ভাই নারায়ণ চন্দ্র সরকার মুর্মূষু লিপি দেবকে স্পিডবোটযোগে সন্ধ্যায় নাসিরনগরের বাবার বাড়িতে নিয়ে যান। সেখান থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে লিপি দেব মারা যান। এ ব্যাপারে ভাইসচেয়ারম্যান মানিক কুমার দেব জানান, তার ছেলে শুভ’র মৃত্যুর পর থেকে লিপি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের কাজে তিনি শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলার বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়নের গণসংযোগ করছিলেন। এই সুযোগে বাজার থেকে বিষের বোতল কিনে বিকালে ঘরের দরজা আটকে বিষপান করেন লিপি। টের পেয়ে স্বজনেরা দ্রুত লিপিকে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে স্টমাক ওয়াশের পর কিছুটা সুস্থতাও বোধ করছিলেন লিপি। পরে তার চাচাতো ভাই নারায়ণ চন্দ্র সরকার স্পিডবোটযোগে লিপিকে নাসিরনগর বাবার বাড়ি নিয়ে যান। সেখান থেকে হাসপাতালে নেয়ার পথে লিপি মারা যান। বিষপানেই লিপি’র মৃত্যু হয়েছে জানিয়ে তিনি হত্যাকা-ের বিষয়টি অপপ্রচার বলে দাবি করেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries