চার বছর পর বিদ্যালয় চালু করলেন স্থানীয় এমপি

মজিবুর রহমান ফয়সাল:

উপজেলায় দেউলডাংরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে চালু করলেন স্থানীয় এম আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন। রবিবার দুপুর ২টার দিকে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি বিদ্যালয়টিতে পাঠদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। মামলা জনিত কারনে বিদ্যালয়টি এতোদিন বন্ধ ছিল। জানা গেছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের একটি প্রকল্প বিদ্যালয় বিহীন এলাকায় ১৫০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ওই প্রকল্পের আওতায় উপজেলার নান্দাইল-জাহাঙ্গীরপুর সড়কের পাশে মধ্য দেউলডাংরা গ্রামে ‘মধ্য দেউলডাংরা ভূঞা স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ নামে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নতুন ভবন নির্মাণের পাশপাশি চেয়ার-টেবিল, বেঞ্চসহ যাবতীয় উপকরণ সরবরাহ করা হয়। এ ছাড়া বিদ্যালয় আঙিনায় পানীয় জলের নলকূপ ও আধুনিক মানের শৌচাগার ব্যবস্থা করা হয়। পরে ২০১৪ সালের ২৫ জানুয়ারি বিদ্যালয় ভবনটি উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের এমপি আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন। এরপর মামলা জনিত কারণে বিগত চার বছর বিদ্যালয়টি বন্ধ ছিল। এই অবস্থায় এমপি তুহিন ওই গ্রামের জনগনের দাবির প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়টি চালুর উদ্যোগ নেন। পরে ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোফাজ্জল হোসেন স্বাক্ষরিত এক আদেশে নজরুল ইসলাম ও আনিছা চৌধুরী নামে দুইজন শিক্ষককে সংযুক্ত করে পাঠদানের ব্যবস্থা করতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেন। রবিবার ওই গ্রামে গিয়ে ১৫-২০ জন অভিভাবকের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিদ্যালয়টি বন্ধ হলে গ্রামের শত শত শিশুকে প্রতিদিন দুই-তিন মাইল পায়ে হেঁটে অন্য বিদ্যালয়ে যেতে হয়। এই অবস্থায় এলাকার এমপি জনসার্থে বিদ্যালয়টি চালু করা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এ বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক জানান, খুব দ্রুত আরও প্রয়োজনীয় শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হবে। সেই সাথে আনুষাঙ্গিক সকল কর্মকান্ড অব্যাহত থাকবে। এই বিষয়ে এমপি আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্দব। শিক্ষার উন্নয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ গুরুত্ব দেন। তাই বিদ্যালয়টি চার বছর পর হলেও চালু করতে পেরে ভালো লাগছে। তিনি উপস্থিত অভিভাবকদের বলেন, সন্তানরা যাতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে বড় হয় সেই দিকে সবার লক্ষ রাখতে।

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries