কিশোরগঞ্জ চং শোলাকিয়া ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে হামলা ও আগুন
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি, মোঃ আশরাফ আলী
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় মহিনন্দ ইউনিয়নে ৭নং চং শোলাকিয়া ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে হামলা ও আগুন জ্বালিয়ে সহিংসতার সৃষ্টি করে একদল সন্ত্রাসী নুরুল ইসলাম নুরু, রুকন, আব্দুল রউফ, আবুল কাসেম, শাকিল সহ ৩৫/৪০ জনের একটি দল। গত ৩০ শে ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেন্দ্র দখল করার সময় মহিনন্দ ইউনিয়ন যুব লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন এর সাথে হাতাহাতি ও দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। পরে ৩১শে ডিসেম্বর মধ্য রাতে চং শোলাকিয়া ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে হামলা করে উপরোক্ত সন্ত্রাসীরা। দেশীয় অস্ত্র দা, লাঠি, রড, কুড়াল ও চাপাতি নিয়ে এলাকার মধ্যে ঘুড়াঘুড়ি করতে দেখে স্থানীয় জনগণ। স্থানয়ী মরুব্বী ইব্রাহিম, নুর হোসেন, আব্দুল খালেক, ছফির উদ্দিন, মোবারক, সোহাগ, আবুল, ইমরুল, ফারুক, রুবেল, কাসেম, জালাল, আওয়াল, নজরুল, ওমর, আলামিন, দিলোয়ার, রাসেল, দুলাল সহ এলাকার প্রত্যক্তদর্শীরা জানান শান্তিপূর্ণ এলাকার এ ধরনের হামলা আমরা সাধারণ মানুষ আতংকিত। আওয়ামীলীগ অফিসের সাথে ছিদ্দিক মিয়ার একটি দোকান অন্য পাশ দিয়ে স্থানীয় একজনের দোকান রহিয়াছে। উভয় দোকানে লোকজন ঘুমিয়ে ছিল। আগুন লাগার পরে এলাকার বাসীর চিৎকারে তারা ঘুম থেকে উঠে দেখে আগুন জ্বলছে। মহিনন্দ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান মনসুর মিয়া, সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা যুব লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান আরজু সহ অন্যান্যরা জানান যে, এই হামলাটি উদ্দেশ্য প্রনোদিত এবং হত্যার উদ্দেশ্যে ছিল। আমরা আইনগত ব্যবস্থার অপেক্ষায় আছি। সাধারন জনগন শেখ হাসিনার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সন্ত্রাসীদের উচিত জবাব দেওয়া হবে। আগামীতেও ২০১৮ নির্বাচনের মত। জনগন চায় না এই সন্ত্রাসীরা আবার ক্ষমতাদর হউক। তাই তাদের এত মাথা ব্যাথা। যুব লীগ নেতা দেলোয়ার আহত হওয়ায় আমরা মর্মাহত শান্তিপূর্ণ এই নির্বাচনে এমন সহিংসতামূলক কাজের জন্য। শেষে এলাকাবাসী একটি গণ মিছিল এলাকায় প্রদক্ষিন করে সাধারন মানুষকে আশ্বস্থ করে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও শেখ হাসিনা আপনাদের পাশেই আছে। সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন- এটি একটি জ্বালাও পোড়াও মামলা হবে। আমরা সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে এর প্রতিকার করব।
