করোনার টিকা নিয়ে যা বললেন রুনা লায়লা ও আলমগীর

সবাইকে করোনার টিকা নেওয়ার আহবান জানিয়ে রুনা লায়লা বলেন, ‘আমরা সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই, এখানে ভয়ের কিছু নেই। চিন্তারও কোনো কারণ নেই। নিজেরা করোনার টিকা নিন এবং আশপাশের সবাইকে করোনার টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করুন। আমাদের পুরো পরিবার এবং স্টাফসহ নয়জন টিকা নিয়েছি। ৪০ বছরের নিচে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়নি। সামনে সুযোগ তৈরি হলে অন্যদের টিকাও দিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব।’রুনা লায়লা জানান, শুক্রবার তাঁরা কোভিড-১৯ টিকা দেওয়ার জন্য নাম নিবন্ধন করেন। তিনি বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ করোনার টিকা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি চমৎকারভাবে ব্যবস্থাপনা করছে। নিজে ভালো থাকতে, নিজের পরিবারের সবাইকে ভালো থাকার পাশাপাশি আশপাশের সবাইকে নিরাপদ রাখার জন্য করোনার টিকা নিয়ে নিন।’

দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হলে শুরুতেই সাংসদ ও অভিনয়শিল্পী সুবর্ণা মুস্তাফার টিকা নেওয়ার খবর জানা যায়। সুবর্ণার টিকা নেওয়ার পরদিন নাট্যজন ও সাংসদ আসাদুজ্জামান নূর টিকা নেন। এরপর দেশের সংস্কৃতি অঙ্গন থেকে মামুনুর রশীদ, তারিক আনাম খান, নিমা রহমান, জেমস, শাবনাজ, নাঈমসহ আরও অনেকে টিকা নেন বলে জানা যায়। পারিবারিক ও বাড়ির অন্য সদস্যদের নিয়ে আজ রোববার সকালে করোনা টিকা নিয়েছেন উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা ও চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী আলমগীর। তাঁরা ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে করোনার টিকা নেন। এই খবর প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার জহিরুল ইসলাম।

জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল শনিবার আমাদের জানানো হয়, সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা ও অভিনেতা আলমগীর তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে টিকা নিতে আসবেন। আজ সকাল সাড়ে আটটায় তাঁরা আমাদের হাসপাতালে আসেন। নয়টার কিছুক্ষণ পর টিকা নিয়ে তাঁরা হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান। তাঁদের মতো বরেণ্য ব্যক্তিত্বরা আমাদের এখানে টিকা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। টিকা নেওয়া শেষে আমাদের হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান স্যারের সঙ্গে আলাপ করেছেন, কোভিড-১৯ টিকার কার্যক্রম নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। হাসপাতালের পরিবেশ এবং সেবা নিয়েও মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।’

Source: Daily Inqilab

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries