ওজন কমানোর সহজ উপায়

খাটাখাটুনি করতে কে-ই বা ভালবাসেন! কিন্তু ওজন কমাতে চাইলে ঘাম ঝরাতে হবে। কায়িক পরিশ্রমও জরুরি। এসব ভেবে অনেকেরই আর ওয়ার্কআউট করা হয়ে ওঠে না। এই প্রতিবেদন তাঁদের জন্য। পেটে খিদে রেখে ডায়েট আর জিমে গিয়ে স্ট্রেন্থ ট্রেনিংয়ের কোনও দরকার নেই। বরং নির্দিষ্ট এক ধরনের ডায়েট মেনে চললেই হওয়া যাবে সুঠাম দেহের অধিকারী। ঝরে যাবে বাড়তি ওজন। কী সেই ডায়েট? দেখে নেওয়া যাক একনজরে।

পর্যাপ্ত জল: সাফল্যের সঙ্গে ওজন কমাতে চাইলে শরীরকে হাইড্রেট রাখতে হবে। খেতে হবে পর্যাপ্ত জল। এতে পেট ভরা থাকবে। বাড়তি খাওয়ার ইচ্ছে চলে যাবে। তা ছাড়া ক্যালোরি পোড়াতে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন দূর করতেও জল মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

অস্বাস্থ্যকর পানীয় নৈব নৈব চ: কফি, কার্বনেটেড ড্রিঙ্কস, সোডা এবং জুস যুক্ত ফ্লেভারের মতো পানীয় ওজন কমানোর ক্ষেত্রে প্রধান বাধা। এই ধরণের পানীয় থেকে সারাদিনে হাজার ক্যালোরি শরীরে প্রবেশ করতে পারে। মদ্যপান বন্ধ করতেই হবে। এটা শুধু মাত্র ক্যালোরি গ্রহণের মাত্রাকে বাড়ায় তাই নয়, বিপাক ক্রিয়াকেও হ্রাস করে।

ব্যায়াম নয় শারীরিক নড়াচড়া: ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত জিমে যাওয়া অপরিহার্য নয়। তবে হ্যাঁ, শরীরকে নড়াচড়া করাতে হবে। এ জন্য হাঁটা, দৌড়নো বা সাইকেল চালানোর মতো সাধারণ কয়েকটা কাজ করা যায়। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামাও শরীরের জন্য ভালো। গাড়ি ধোয়া, মেঝে মোছা, রান্না করা, ঝাঁট দেওয়া, ইস্ত্রি করার মতো জাগতিক গৃহস্থালির কাজগুলোও ওজন কমাতে সাহায্য করে।

দিনে এক বাটি স্যালাড: প্রতিদিনের ডায়েটে এক বাটি স্যালাড রাখতে হবে। এটা প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ সরবরাহ করে। শরীর ফাইবার পুরোপুরি হজম করে না, তাই শরীরের নেট ক্যালোরির পরিমাণ বাড়বে না। এছাড়াও স্যালাডে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি রয়েছে যা শরীরের সঠিক বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয়।

ফাইবার যুক্ত খাবার: আঁশযুক্ত খাবার ওজন কমাতে ব্যাপকভাবে সাহায্য করতে পারে কারণ এগুলো সহজে হজম হয় না। ধীর হজমের কারণে, শরীরের খাদ্যের চাহিদা হ্রাস পায়। যেসব খাবারে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে সেগুলো অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকে ভালো আকারে রাখে।

বাড়ির খাবার: ওজন কমাতে বাড়ির খাবার সবচেয়ে ভালো। এতে প্রক্রিয়াজাত খাবার তো থাকেই না, ক্ষতিকর তেল মশলাও এড়িয়ে চলা হয়। তাছাড়া ওজন কমানোর প্রয়োজনীয়তা মাথায় রেখে খাবার তৈরি করা যায়।

1/8ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়ে অনেকে হিমশিম খান। কিন্তু সাধারণ কয়েকটি অভ্যাসে অদল বদল করে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। পেটের মেদও কমানো যায় খুব সহজেই। এমনকী মাত্র ৫ দিনেই এই পার্থক্য চোখে পড়তে পারে। কী কী করবেন? জেনে নিন এখান থেকে।

3/8বার বার খান। অল্প করে খান। একবারে বেশি খেলে ওজন বাড়ে। অল্প পরিমাণে বার বার করে খেলে ঠিক তার উলটোটা হয়। অর্থাৎ কমতে থাকে ওজন। এই অভ্যাস রপ্ত করে নিলে ৫ দিনেই ওজনের বদল টের পাবেন।

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries