এমপিকে সংবর্ধনার জন্য শুধুই গোলাপ!
মজিবুর রহমান ফয়সাল :
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পর শনিবার প্রথম নির্বাচনি এলাকা ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসেন এমপি আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন। পরে থাকে একটি গোলাপ ফুল দিয়ে সংবর্ধনা দেয় উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। উপজেলার চন্ডীপাশা সরকারী বালক উ”চ বিদ্যালয় মাঠে বেলা ৩টার দিকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়। জানা গেছে, এমপি তুহিন অতিউৎসাহী লোকজনের তোষামদি বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছেন একটি প্রচারপত্র (লিফলেট) ছেড়েছেন। যাতে উল্লেখ করেন নির্বাচনি এলাকার কোনো স্থাানে সংবর্ধনা দেওয়ার সময় ক্রয়কৃত ফুলের তোড়া, ক্রেস্ট, স্বর্ণ বা রূপার তৈরি নৌকা বা কোটপিন, ¯‘তি বাক্যে ভরা মানপত্র প্রদান এমনকি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়া সাধারণ মানুষ তাঁকে যেন স্যার বলে সম্বোধন না করেন এমন আটটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যতিক্রমী এই প্রচারপত্র নিয়ে গত নয় জানুয়ারি দৈনিক আমার বাংলাদেশে ‘তোষামদি বন্ধের অনুরোধ জানিয়ে এমপির প্রচারপত্র বিলি’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে চন্ডীপাশা সরকারী উ”চ বিদ্যালয়ের মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, শপথের পর এমপি তুহিনের আগমনের খবর পেয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ জড়ো হতে থাকে। সেখানে একটি চৌকি ফেলা হয়েছে যাতে তিনি দাড়িয়ে বক্তব্য রাখতে পারেন। চৌকিতে মাইক ছাড়া কোনো চেয়ারও দেখা যায়নি। বেলা তিনটার দিকে প্রায় ১ হাজার মটরসাইকেলের একটি বহর এমপি তুহিনকে নিয়ে ওই বিদ্যালয়ের মাঠে উপস্থিাত হন। এ সময় দ্বিতীয় বারের মতো শপথ নিয়ে সংসদ সদস্য হওয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এই এমপিকে একটি লাল গোলাপ ফুল দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পরে আরো কয়েকজন জনপ্রতিনিধি রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছে জানান। এমপি আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন বলেন, জনগণের সেবা করার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন। আর এই উপজেলার সর্বস্থারের মানুষ ভোট দিয়ে আমাকে এমপি বানিয়েছে। বিগত পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে নান্দাইলকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব। এই উপজেলায় নতুন বছরে প্রতি মাসে একজন করে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর আগমন গঠবে। আমি বিশ^াস করি এই সরকারের আমলে উপজেলায় প্রতিটি গ্রামেই শহরের সুযোগ সুবিধা পৌছে দিতে পারবো। বিগত দিনগুলোর মতোই উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকবে। এ সময় নান্দাইল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক চৌধুরী স্বপন, পৌর সভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিক উদ্দিন ভূইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহবায়ক হাসান মাহমুদ জুয়েল, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুন ফাতেমা পপি, বাংলাদেশ চেয়ারম্যান সমিতির কেন্দ্রিয় যুগ্ম আহবায়ক আওয়ামী লীগ নেতা এমদাদুল হক ভূইয়া সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদক সহ বিপুল পরিমাণ দলীয় নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার সাধারণ মানুষ উপস্থিাত ছিলেন।

