কিশোরগঞ্জ ৬ আসন : ভোটারদের দ্বারে দ্বারে পাপন, ভাঙ্গা পা নিয়ে বাড়িতে শরীফুল আলম
কিশোরগঞ্জ ৬ আসনে মহাজোট প্রার্থী আওয়ামী লীগের আলহাজ্ব নাজমুল হাসান পাপন এবং তাঁর সমর্থকরা প্রায় ২৪ ঘণ্টাই ব্যস্ত প্রচারে। এলাকা ছেয়ে গেছে নৌকা প্রতীকের পোস্টারে। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মোঃ শরীফুল আলম ও তাঁর কর্মী-সমর্থকরা মাঠে নেই। তাঁর পোস্টার, মাইকিংও নেই। অবশ্য কয়েক দিন ধরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খুদে বার্তা পাঠিয়ে ধানের শীষে ভোট চাচ্ছেন তিনি। শরীফুল আলম মাঠে না থাকলেও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী হাজী রুবেল হোসেন মোমবাতি প্রতীক এবং ইসলামী আন্দোলনে প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ মুছা খান হাতপাখা প্রতীকের পোস্টার কিছু কিছু জায়গায় দেখা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ প্রার্থী নাজমুল হাসান পাপন প্রতিটি ওয়ার্ডে একাধিক নির্বাচনী কমিটি করেছেন। ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা নিজ দলের পরে প্রার্থীর জন্য বিভিন্নভাবে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিটি এলাকায় করা হয়েছে নির্বাচনী ক্যাম্প। এই দিকে প্রচারে মাঠে নামতে না পারায় শরীফুল আলমের কর্মীরা হতাশ। মুখ রার্থে তারা এখন বলছে, প্রচার দিয়ে কী হবে? ৩০ তারিখ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবে তারা। সরেজমিনে লীপুর, ভৈরবপুর, কালীপুর ও ১২টি ওয়ার্ড এবং ৭ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ভৈরব উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ধানের শীষের কোনো পোস্টার দেখা যায়নি। দূর্জয় মোড় থেকে বঙ্গবন্ধু সরণে পর্যন্ত নৌকা প্রার্থীর পোস্টারে ছেয়ে গেছে। সঙ্গে রয়েছে ব্যানার আর ফেস্টুন। নকমবেশি নির্বাচনী এলাকার সবখানে এই অবস্থা। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি, ইসলামী আন্দোলনের হাত পাখা প্রতীকের কিছু পোস্টার চোখে পড়ল। স্থানীয় ভোটার ইসমাইল হোসাইন বলেন, ‘কিছুদিন আগে বৃষ্টিতে পোস্টার ছিঁড়ে যায়। অন্য প্রার্থীরা পরে আর পোস্টার না লাগালেও নাজমুল হাসান পাপন পোস্টার আরো বেড়ে গেছে। ধানের শীষের কাউকে প্রচার মাঠে গত কয়েক দিনে দেখেছেন কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে লীপুর এলাকার বাসিন্দা সুজা উদ্দিন জনি। বলেন, ‘না, ধানের শীষের প্রার্থী অথবা একটি পোস্টারও আমার চোখে পড়েনি। তবে গত রাতে আমার বাংলালিংক নম্বারে একটি মেসেজ আসে। যেখানে ধানের শীষের পে ভোট চাওয়া হয়। ২৭ ডিসেম্বর দূর্জয় মোড়ে দেখা যায় নৌকার পরে বিশাল মিছিল। এই দিন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাজমুল হাসান পাপন হাজী আসমত কলেজ মাঠে জনসভা করেন। এদিকে জানা যায়, মোমবাতি, হাত পাখার পে বাসায় বাসায় গিয়ে প্রচার চালাচ্ছে। প্রচারে বাধা দেওয়া হয় কি না জানতে চাইলে একজন বলেন, ‘না, এ পর্যন্ত আমাদের কোনো বাধা দেওয়া হয়নি।

