জর্ডানে পায়ে শিকল বেঁধে প্রতি রাতেই ধর্ষন, মা হলো মানিকগঞ্জের সেই কিশোরী
স্বপ্নের জর্ডানে গিয়ে সব স্বপ্ন দুঃস্বপ্ন হয়ে গেছে মানিকগঞ্জের সিংগাইরের কিশোরী মৌসুমীর (ছদ্মনাম)। বাবার কোনও জমি নাই। তাই তার স্বপ্ন ছিল নানির বসতভিটায় একটি থাকার ভালো ঘর তুলবে।
বাবা-মা, ছোট ভাই ও বোনের দায়িত্ব নেবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য, পরিবারের সদস্যদের ভাগ্যের পরিবর্তন তো দূরের কথা, নিজের জীবনই আজ বিপন্ন। যারা তার জীবনকে দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে তাদের বিচার তো হয়নি বরং তাদের সঙ্গে করতে হয়েছে আপোস। এখন তার পরিবারও সমাজচ্যুত (একঘরে)।
জানা গেছে, সংসারের অভাব দূর করতে ২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবর মৌসুমীকে জর্ডানে পাঠায় তার পরিবার। স্থানীয় এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে তাকে মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমির দেশটিতে পাঠানো হয়।
১৫ বছরের এ কিশোরীর বয়স ২৫ বছর বানিয়ে পাসপোর্ট করে দেয় স্থানীয় এক আদম ব্যবসায়ী। এছাড়া জর্ডানে যাওয়ার আগে মেডিকেল রিপোর্টে অবিবাহিত মৌসুমীকে দেখানো হয় বিবাহিত। কথা ছিল বাসা-বাড়িতে কাজ দেওয়ার। কিন্তু প্রতি রাতেই তাকে সইতে হয়েছে নির্মম নির্যাতন। বাধ্য করা হতো শারীরিক সম্পর্কে।

