“শুনে যাঁর সাতই মার্চের জ্বালাময়ী ভাষণ ভয়ে শত্রুর গায়ে লেগেছিলো কাঁপন তিনিই শেখ মুজিব” যাঁর হাত ধরে এসেছে স্বাধীনতা –সাজেদুল করিম দীনু

যাঁর হাত ধরে এলো বাংলার স্বাধীনতা
যিনি বীর বাঙালির জাতির পিতা
তিনিই শেখ মুজিব ।
যিনি এই বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা
যিনি আমাদের দিলো উপহার এই দেশটা
তিনিই শেখ মুজিব ।
যিনি এই বাংলার স্বাধীনতার মহান উদ্যোক্তা
যিনি আজীবন ভেবেছেন বাংলার মানুষের কথা
তিনিই শেখ মুজিব ।
যাঁর জন্ম না হলে
থাকতে হতো বন্দি আজো দাসত্বেরি শিকলে
তিনিই শেখ মুজিব ।
শুনে যাঁর সাতই মার্চের জ্বালাময়ী ভাষণ
ভয়ে শত্রুর গায়ে লেগেছিলো কাঁপন
তিনিই শেখ মুজিব ।
যাঁর ডাকে ত্রিশ লক্ষ প্রাণ দিলো জলাঞ্জলি
হাজারো বছরের যিনি শ্রেষ্ঠ বাঙালি
তিনিই শেখ মুজিব ।
লাল -সবুজের বিজয় নিশান
যে মহানায়কের নেতৃত্বের অবদান
তিনিই শেখ মুজিব ।
যাঁর জন্য এই পৃথিবী বলে মোদের বাঘা -বাঙালি
যাঁর জন্য হানাদার মুক্ত হলো আজ বাংলার ধূলি
তিনিই শেখ মুজিব ।
নিউজ উইক ম্যাগাজিনের উদ্ধৃতির পর এই পৃথিবী
নিয়েছে জেনে যাকে রাজনীতির কবি
তিনিই শেখ মুজিব ।
বদ্বীপ নামের নদী ঘেরা বাংলাদেশে
চিরকাল ধ্বনিত হবে যাঁর নাম বাতাসে
তিনিই শেখ মুজিব ।
ফিদেল ক্যাস্ত্রো বলেছিলেন ‘আমি দেখিনি হিমালয়
দেখেছি হিমালয়তুল্য একজন সাহসী ও ব্যক্তিত্বময়
তিনিই শেখ মুজিব’ ।
কবি গুরু বলেছিলেন -‘রেখেছে বাঙালি করে মানুষ করনি ‘
কবির বাণী মিথ্যে করে বাঙালিকে মানুষ করলেন যিনি
তিনিই শেখ মুজিব ।
যাঁর হাতে রচিত হলো ‘বাংলাদেশ ‘নামক কবিতাখানি
যাঁর নামে তেরো শত নদী করে কলধ্বনি
তিনিই শেখ মুজিব ।
দল বল নির্বিশেষে
যেতে হবে যাকে ভালোবেসে
তিনিই শেখ মুজিব ।
আবৃত্তিশিল্পী : মাহিদুল ইসলাম মাহি
কাব্যগ্রন্থ : “যাঁর হাত ধরে এসেছে স্বাধীনতা”