মুফতি বানানোর স¦প্ন পূরণ হলোনা মোশারফের মায়ের

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ

আমার স্বপ্ন ছিল ছোট ছেলেকে মুফতি বানাবো। সেই স্বপ্ন আমার পূরণ হলোনা । অকালে সড়ক দূর্ঘটনায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিলো ছেলেটি। গতকাল ১৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে সড়ক দুর্ঘনায় নিহত মাদ্রাসা ছাত্র হাফেজ মোঃ মোশারফ হোসেনের গ্রামের বাড়ী কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ জোয়ারিয়া গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে কথা হলে নিহত ছাত্রের মা মোছাঃ মেহেরা খাতুন (৬০) কান্নাকাটি করে এসব কথা বলেন। নিহত ছাত্র মোশারফ পাশ্ববর্তী কুলিয়ারচর উপজেলার আগরপুর বাস্ট্যান্ড এলাকাস্থ জামিয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া আগরপুর মাদ্রাসার নাহভেমীর পরীক্ষার্থী। তার পিতার নাম মোঃ আব্দুল মালেক। ৩ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে সে ৪র্থ এবং ভাইদের মধ্যে সবার ছোট। জামিয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া আগরপুর মাদ্রাসার শিক্ষা সচিব মুফতি মনির হোসেন আল হাবেবী বলেন, মোশারফ এ মাদ্রাসার মেধাবী ও শ্রেষ্ঠ ছাত্র । সে এবারের নাহভেমীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ বেফাক বোর্ডে শ্রেষ্ঠ হবে এমন আশা ছিল। এ আশা ধূলীসাৎ হয়ে গেল। তিনি বেপড়োয়া গাড়ী চালকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে বলেন, সরকার নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত । মাদ্রাসার শিক্ষক ও নিহতের বড় ভাই মাওলানা মাহমুদুল হাসান মঞ্জিল বলেন, ১৫ই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মাদ্রাসায় শোক দিবস পালন শেষে সিএনজি অটোরিকসা যোগে বাড়ী ফেরার পথে তার ছোট ভাই হাফেজ মোশারফ হোসেন সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যায়। তিনি আরো বলেন, অল্প বয়সের ছেলেরা কোন প্রশিক্ষণ ছাড়াই সিএনজি অটোরিকসা চালানোর কারনে এ ধরণের দূর্ঘটনা অহরহ ঘটছে। এ সবের প্রতিকার হওয়া উ”িত।

উল্লেখ্য, গত ১৫ আগস্ট বুধবার বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচরে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ হাইওয়ে সড়কে উপজেলার কোনাপাড়া নামক স্থানে বাস-সিএনজি’র মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজি চালক সহ ৩ জন নিহত হয়। নিহতরা হলো মাদ্রাসা ছাত্র হাফেজ মোঃ মোশারফ হোসেন (২০) সহ সিএনজি চালিত অটোরিকসা চালক বাজিতপুর উপজেলার পুরান খলা গ্রামের ইদু মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন (১৮) ও ভৈরব উপজেলার মিরারচর গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে বাহার মিয়া (৫০) ।

Sultan Rayhan Uddin

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries