কিশোরগঞ্জে ৪০ নমুনার সবাই নেগেটিভ, মোট শনাক্ত ১৭৮, সুস্থ ১

কিশোরগঞ্জ জেলায় সর্বশেষ পাওয়া নমুনা পরীক্ষা রিপোর্টে নতুন করে কারো করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ পজেটিভ ধরা পড়েনি। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) পাঠানো ৪০ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকালে পাওয়া যায়। এতে কারো মধ্যে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

ফলে এই ভাইরাসে কিশোরগঞ্জ জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়েনি। আগের দিন পর্যন্ত ১৭৫ জন ছিল, তাই রয়েছে। তবে এর বাইরে আগে আরো তিনজনের করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ পজেটিভ অন্যত্র শনাক্ত হয়েছে।

এই তিনজনের মধ্যে একজন হোসেনপুর উপজেলা ও বাকি দুইজন তাড়াইল উপজেলার। এই তিনজন নিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলায় মোট করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৭৮ জন।

তবে শনিবার (২৫ এপ্রিল) নতুন করে কারো করোনাভাইরাস শনাক্ত না হলেও এদিন জেলায় একজন করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন। তিনি ইটনা সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রশীদ। তার বাড়ি ইটনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বেতেগা গ্রামে।

এছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলায় করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ পজেটিভ শনাক্ত হওয়া ১৭৮ জনের মধ্যে এক শিশুসহ তিনজন মারা যাওয়া ব্যক্তি রয়েছে। তিনজনেরই মারা যাওয়ার পর নমুনা পরীক্ষায় কোভিড-১৯ পজেটিভ ধরা পড়ে।

মারা যাওয়া তিনজন হলো, করিমগঞ্জ উপজেলার জঙ্গলবাড়ি মুসলিমপাড়া গ্রামের সেলিম মিয়া (৪৬), কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের বড়বাজার টেনু সাহার গলি এলাকার নিতাই (৬০) এবং হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দক্ষিন পানান গ্রামের ১০ বছর বয়সী শিশু মিজান।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানান, কিশোরগঞ্জ জেলা থেকে বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সকালে ৪০ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে কারো করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়নি। ৪০ জনেরই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

উপজেলাওয়ারী হিসাবে, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ১৪ জন, হোসেনপুর উপজেলার ৩ জন, করিমগঞ্জ উপজেলায় ১৬ জন, তাড়াইল উপজেলায় ২৪ জন, পাকুন্দিয়ায় উপজেলায় ৪ জন, কটিয়াদী উপজেলায় ১২ জন, কুলিয়ারচর উপজেলায় ১০ জন, ভৈরব উপজেলায় ৪৩ জন, নিকলী উপজেলায় ৫ জন, বাজিতপুর উপজেলায় ৬ জন, ইটনা উপজেলায় ১১ জন, মিঠামইন উপজেলায় ২৪ জন ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

তবে এর বাইরে হোসেনপুর উপজেলার একজন ও তাড়াইল উপজেলার দুইজনের করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ পজেটিভ অন্যত্র শনাক্ত হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান আরো জানান, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) পাঠানো ৪০ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট ঢাকা থেকে পাওয়া গেছে।

তবে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল), শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ও শনিবার (২৫ এপ্রিল) পাঠানো নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট এখনো পেন্ডিং রয়েছে।