কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থীর হলফনামা পরিবর্তনের অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের
স্টাফ রিপোর্টার:
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে অনিয়ম, তথ্য গোপন ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদার মনোনয়নপত্র বৈধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন একই আসনের স্বতন্ত্র প্রাথী বিএনপি নেতা শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় স্বাক্ষর , তারিখ ও ছবি না থাকা, এমনকি একাধিক কলাম ফাঁকা রাখা ও ভুল তথ্য প্রদান করার পরও রিটার্ণিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ণ বৈধ ঘোষণা করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এহসানুল হুদার মনোনয় বাতিল ঘোষণা চেয়ে গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করেছেন। তাঁর অভিযোগ-নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রথমে যে হলফনামা প্রকাশিত হয়েছিল, তাতে অসংখ্য অনিয়ম ও ত্রুটি ছিল, কিন্তু মিডিয়ায় বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পর রাতারাতি আগের হলফনামা সরিয়ে নতুন হলফনামা আপলোড করা হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং অফিসারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ৩ জানুয়ারি যাচাই-বাছাইয়ের দিন এতসব ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও জেলা রিটার্নিং অফিসার কোনো আপত্তি তোলেননি। বরং মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। হলফনামা যদি সঠিকভাবে যাচাই করা হতো, মনোনয়ন গ্রহণের কোনো সুযোগই ছিল না।
বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও দলের কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন- আপীলে সৈয়দ এহসানুল হুদার বিরুদ্ধে অনিয়ম, জালিয়াতি ও তথ্য গোপনের অভিযোগ বিবেচনায় মনোনয়ন বাতিলের দাবি করা হয়েছে। এখন পুরো বিষয়টি কমিশন কীভাবে মূল্যায়ন করে তা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদার মনোনয়ন বাতিল দাবি করে দায়ের করা রীটের সোমবার (১২ দুপুরে নির্বাচন কমিশনের শুনানী হওয়ার কথা রয়েছে।

