নায়িকা না, আমি পারফর্মার হতে চাই: তানজিন তিশা

বাংলা নাটকের এই সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। গতকয়েক বছর ধরে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরছেন তিনি। প্রশংসিত হচ্ছেন কাজ দিয়ে। ফলে ক্রমাগত প্রস্তাব পাচ্ছেন সিনেমায় অভিনয়ের। 

আপনি নাকি চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন?

আসলে চলচ্চিত্র বলতে আমরা যেটা বুঝি, তেমন কোনো চলচ্চিত্রে আমি অভিনয় করছি না। তবে অংশু ভাইয়ের নির্দেশনায় এখন যে শুটিং করছি, এটার নাম এখনও চূড়ান্ত হয়নি। অনেকে দেখলাম এটাকে ফিল্ম বলছেন, এটা তো আসলে ফিল্ম না। বলতে পারেন ফিল্মের মতো। এটা দীপ্ত টিভিতে প্রচার হবে। যেহেতু এটা কেবল দীপ্ত টিভির নিজস্ব প্রযোজনা, তাই এটাকে তারা ‘টেলিভিশন ফিচার ফিল্ম’ বলছেন।

অভিনেত্রী তারিন ও মিথিলা এখানে অভিনয় করছেন। গল্পটি আসলে কেমন?

এটার শুটিং করার কথা ছিল রোজার ঈদের আগে। কিন্তু নানা কারণে করা হয়নি। আমরা আসলে চেয়েছি গল্পটি সময় নিয়ে সুন্দরভাবে করতে। এর গল্পটি হচ্ছে একজন মেয়েকে কেন্দ্র করে। মেয়েটির ধর্ষণের কাহিনী। সেই মেয়েটির ধর্ষণের বিচারের জন্য অনেকগুলো চরিত্র তৈরি। চরিত্রগুলো প্লে করছেন আশীষ দা, তারিন আপু, মিথিলা আপু। চরিত্রগুলো নিয়ে তারা মেয়েটির জন্য ফাইট করে। এর বেশি গল্পটি নিয়ে আর বলা যাবে না।

নিজেকে নায়িকা না অভিনেত্রী, কোনটা মনে করেন আপনি?

অবশ্যই অভিনেত্রী। নায়িকা হলে তো এতদিনে অনেক সিনেমা করে ফেলতাম। আসলে আমি একজন পারফর্মার হতে চাই।আমি শুধু নায়িকা হতে চাই না। আমি অভিনয় দিয়েই মানুষকে মুগ্ধ করতে চাই।

সিনেমা করছেন না কেন?

এ প্রশ্ন আমার দর্শক শুভাকাঙ্ক্ষী অনেকের। আমি সবাইকে একটা কথাই বলি, আজ পর্যন্ত আমার কাছে সিনেমার জন্য এমন কোনো গল্প আসেনি যে সিনেমার গল্প শুনলেই আমার কাছে মনে হবে ‘ইয়েস, দিস ইস মাই প্রজেক্ট’। যেদিন গল্প শুনে মনে হবে এটা আমার ফিল্ম, সেদিন হয়ত আমাকে সিনেমাতে দেখা যাবে।

এখনকার নাটকের গল্পে চরিত্র কম থাকে, কেবল নায়ক-নায়িকা দিয়েই নাটক শেষ করা হয়। এমনটি কেন হয়?

দুইটা কারণ হতে পারে। এক, গল্পটিই এভাবে এখন লেখা হয়, অন্যটি বাজেট স্বল্পতার কারণে এটা হয়ে থাকে। কিছু কিছু নাটকে আমরাও কিন্তু ফিল করি, সেখানে বাবা-মা চরিত্র বা ভাই-বোন বা বন্ধুর চরিত্র হলে ভালো হত। কখনও কখনও নির্মাতাকেও বলি এটা। তখন তারা বলেন, বাজেট স্বল্পতার কারণে চরিত্রগুলো আনা সম্ভব হচ্ছে না। এখানে তো আমাদের আর কিছু করার থাকে না। আমার কাছে আমার কাজ আমার কাজই। দর্শক আসলে নাটকটি ইউটিউবে দেখবেন, নাকি টেলিভিশনে দেখবেন, সেটা তাদের ব্যাপার। যেখানেই প্রচার হোক, কাজ তো কাজই। টিভি আর ইউটিউব দুই জায়গাতেই কিন্তু টার্গেট থাকে, নাটকটির বেশি দর্শক পাওয়া। দর্শকরা দেখলেই আমাদের আনন্দ। প্রচারের মাধ্যম যেটাই হোক।

Source:Daily Samakal

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries