কিশোরগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব পালিত
স্টাফ রিপোর্টার
আমনের নতুন ধান কেটে ও নেচে গেয়ে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কিশোরগঞ্জে বাংলা নবান্ন উৎসব-২০১৮ উদযাপিত হয়েছে। আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসবে নতুন ধানের চাল দিয়ে তৈরি করা পিঠা, পায়েস, ীরসহ হরেক রকমের খাবারের পসরা নিয়ে বসেছিলেন কৃষক-কৃষাণীরা। বৃহস্প্রতিবার জেলার বিয়াম স্কুল মাঠে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। নবান্ন উৎসব উদযাপন উপলে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল। সকালে কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়াম হতে ১৪২৫ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানিয়ে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদণি করে বিয়াম স্কুল মাঠে নবান্ন উৎসবের আলোচনাসভায় গিয়ে মিলিত হয়। আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার মো.আক্তার জামীল, এডিশনাল এসপি সফিক, জেলা প্রেসকাবের সভাপতি মোস্তফা কামাল, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ কামরুজ্জামান খান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মো.আসাদ উল্লাহ, সাংবাদিক সাইফুল হক মোল্লা দুলু, জেল কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, সহকারী অধ্যাপক সামিউল হক মোল্লা, অ্যাডভোকেট আল আমিন প্রমুখ। এর আগে জেলা প্রশাসক বিয়াম স্কুল মাঠে স্থাপিত নবান্ন উৎসব মেলার শুভ উদ্বোধন করেন এবং মেলায় প্রদর্শিত স্টল ঘুরে ঘুরে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এছাড়াও দিবসটি উদযাপন উপলে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন স্কুলের শিার্থীদের নিয়ে চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। সেই সাথে বিয়াম স্কুল মাঠে গ্রাম বাংলা ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলারও আয়োজন করা হয়। বাংলার সংস্কৃতি ও দেশাত্ববোধক গান নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বেতার ও টিভি শিল্পীরাসহ অন্যান্য শিল্পীরা গান পরিবেশন করে উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করেন। পরে অতিথিবৃন্দ মেলায় স্থাপিত সকল স্টলকে শান্তনা ও প্রথম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণকারীদেরকেও পুরস্কৃত করা হয়।

