শিল্পকলায় শুরু হল চতুর্থ ঢাকা আর্ট সামিট
নিউজ ডেস্ক :শিল্প এবং স্থাপত্যকে নতুন আঙ্গিকে মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ঢাকার শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে ঢাকা আর্ট সামিটের চতুর্থ আসর।সামদানি আর্ট ফাউন্ডেশন আয়োজিত এই সামিটের উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। বিশেষ অতিথি হয়ে এসেছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে চিত্রশিল্পের অনেক পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে। এই ইতিহাস সবার সামনে তুলে ধরতে হবে। এখানে দক্ষিণ এশিয়ার প্রদর্শনীর ইতিহাসও তুলে ধরা হবে। ফলে এই সামিট আয়োজনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ এশীয় শিল্পের নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে।” আর্ট সামিটের চতুর্থ আসরে বরাবরের মতো সহযোগিতা করছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট অথরিটি এবং জাতীয় জাদুঘর।
এবার প্রথমবারের মতো সামিটে অংশ নিচ্ছে ইরান ও তুরস্ক। সব মিলিয়ে ৩৫ দেশের তিন শতাধিক শিল্পী এ সামিটে নিজেদের কাজ নিয়ে উপস্থিত হবে। সে সঙ্গে সম্ভাবনাময় শিল্পকলার উন্নয়নকে সামনে রেখে সামিটে ১২০ জনের বেশি বক্তার অংশগ্রহণে থাকছে ১৬টি প্যানেল আলোচনা ও দুইটি সিম্পোজিয়াম।এবারের আসরে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততাকে নতুন করে তুলে ধরা হবে। এছাড়া এবার দক্ষিণ এশিয়ার প্রদর্শনীর ইতিহাসও তুলে ধরা হবে।সামদানি আর্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক নাদিয়া সামদানি জানান, সামদানি আর্কিটেকচার অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী মাকসুদুল করিমের নকশায় প্রথমবারের মতো থাকছে এডুকেশন প্যাভিলিয়ন। শিল্প ও স্থাপত্যকে নতুনভাবে দেখার নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরির জন্য থাকছে আন্তঃবিষয়ক কর্মশালা। এতে অংশ নেবে র্যাকস মিডিয়া কালেকটিভ, সুপারফ্লেক্স, দায়ানিতা সিং এবং আর্ট এডুকেশনের নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। মাইক্রোসফট বাংলাদেশ সামিটের শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানগুলো দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
এবারের সামিটে ৫৫টি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করছে।
প্রতিবারের মতো এবারও দেওয়া হবে সামদানি আর্ট অ্যাওয়ার্ড।ইতোমধ্যেই ১১ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত দ্বি-বার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর প্রথম দশ আসরের কাজ ও ইতিহাস নিয়ে থাকছে বিশেষ প্রদর্শনী। আর্ট সামিটের সব আয়োজন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
শিল্পকলা একাডেমির সার্বিক সহযোগিতায় ২০১২ সাল থেকে সামদানি আর্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শুরু হয় ঢাকা আর্ট সামিটের পথচলা।
