বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মুস্তফা কামালকে নিয়ে অপপ্রচার : তীব্র প্রতিবাদ

বরিশাল ব্যুরোঃ

বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের আরবি বিষয়ের প্রভাষক মুহাম্মদ মুস্তফা কামালকে নিয়ে সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ ও ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রচার করা হয়েছে। তাকে সরকারি চাকরির পাশাপাশি কথিত মাদ্রাসা বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত দেখানোর অভিযোগ প্রকাশ করা হলেও—এ তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর বলে দাবি করেছেন তিনি ও তার সহকর্মীরা।

স্থানীয় শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ জানান—মুহাম্মদ মুস্তফা কামাল একজন আদর্শবান ও সৎ শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে চালানো অপপ্রচার সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক। তারা জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি, যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও শিক্ষকদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে।

প্রভাষক মোস্তফা কামাল  আমার বাংলাদেশ কে বলেন, আমি, মুহাম্মদ মুস্তফা কামাল, প্রভাষক (আরবি), বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ—সম্প্রতি দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় সাংবাদিক এস. এন. পলাশের বরাতে প্রকাশিত একটি সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সংবাদে আমাকে “আল-জামি‘ আহ আস-সালাফিয়্যাহ ইংলিশ ভার্সন ইসলামিক স্কুল”-এর পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করে কথিত “কোটি টাকার মাদরাসা”-এর সঙ্গে জড়িত বলা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং চরমভাবে মানহানিকর।
বাস্তবে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি বিশিষ্ট আলেম শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ (হাফিজাহুল্লাহ)-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি স্বতন্ত্র ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি ২০২২ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জনাবা নাসিমা খাতুন। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই প্রতিষ্ঠানের কোনো প্রশাসনিক বা পরিচালনা-সংক্রান্ত দায়িত্বে নিয়োজিত নই।

আমার মূল কর্মস্থল বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে আমি নিয়মিত ক্লাস গ্রহণসহ অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছি। সম্প্রতি প্রচারিত হয়েছে যে, অধ্যক্ষ জনাব আবু মামুনের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে। এ বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া। জনাব আবু মামুন সহকর্মীদের সঙ্গে কেবল পেশাগত সম্পর্ক বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করে থাকেন, আমিও তাঁর সঙ্গে কেবল প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত সম্পর্ক রক্ষা করি।
আমি অনুরোধ করছি—উক্ত ভিত্তিহীন সংবাদে আমার নাম জড়ানো থেকে বিরত থাকা হোক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম অবিলম্বে সংবাদটি প্রত্যাহার করে সংশোধনী প্রকাশ করবে বলে আশা রাখি।

দৈনিক আমার বাংলাদেশ

দৈনিক আমার বাংলাদেশ