কিশোরগঞ্জের মহিনন্দের শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে
স্টাফ রিপোর্টার :
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের ভদ্রপাড়া গ্রামে নির্মিত শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে । জানা গেছে, গত ৫ ডিসেম্বর বিদ্যালয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিশু কল্যাণ ট্রাস্টি বোর্ড ৭৯ তম সভায় প্রাথমিক অনুমোদন লাভ করে। ১ জানুয়ারী সোমবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মহিনন্দ ভদ্রপাড়ায় সদ্য প্রতিষ্ঠিত শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে সারা দেশের ন্যায় বিনামূল্যে বই বিতরণ উৎসবের মধ্যদিয়ে শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়টির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠানে সাবেক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি মোঃ সাদেকুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিনন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লিয়াকত আলী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ হারুনুর রশিদ, সংরক্ষিত মহিলা আসনের ভাইস চেয়ারম্যান মোছাম্মদ রেহানা আক্তার, বত্রিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোছা: উম্মে মাহবুবা। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান কামালের পরিচালনায় আমন্ত্রিত অতিথিগণ আলোচনা সভায় প্রতিষ্ঠানটির সাফল্য কামনা ও সংশ্লিষ্ট সকলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। আলোচনা শেষে কোমলমতি নতুন শিশু-কিশোরদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করেন। নতুন বছরের শুরুতেই নতুন বই পেয়ে উৎসবে অংশ নেওয়া শিশুরা খুবই আনন্দিত হয়েছে। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান কামাল বলেন, সকল ষড়যন্ত্র ভেদ করে বিদ্যালয়টি বিলপাড় ও ঘনবসতি এলাকায় সুন্দর মনোরম পরিবেশে ৬ জন শিক্ষক ৮০ জন শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান জানিয়েছেন, শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় মহিনন্দ (ভদ্রপাড়া) নিয়ে গণমাধ্যমে ভুল তথ্য দিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি করে প্রতিষ্ঠানটির সুনামকে নষ্ট করার পায়তারা চালাচ্ছে একটি মহল। মিথ্যা তথ্য দিয়ে একটি কুচক্রী মহল আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করেছে। আমাকে ও আমার প্রতিষ্ঠানকে হেয় প্রতিপন্ন করেছে। প্রকৃতপক্ষে সরকারী নীতিমালা ও মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় আদেশ মেনে আমার প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রতি একটি মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় এসব মিথ্যা ও – বানোয়াট সংবাদ করাচ্ছে। আমি এসব বিষয়ের তীব্র নিন্দ্রা ও প্রতিবাদ জানাই। বিদ্যালয়ের দলিল দাতা কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাবেক সভাপতি মোঃ সাদেকুর রহমান ও মোঃ মুখলেছুর রহমান জানান আমাদের গ্রামটি এমনিতেই অজপাড়া ও অবহেলিত। এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এখন গ্রামের রাস্তাটিও পাকা হবে বলে আমরা আশাবাদী।

