জ্যাকুলিনকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় মা–বাবা

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ভারতে রীতিমতো ত্রাস সৃষ্টি করেছে। মৃত্যুর হার কিছুতেই কমছে না। এরই মধ্যে বেশ কিছু ছবির শুটিং নিয়ে দারুণ ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন বলিউড তারকা জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। এমনকি কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন সাধারণ মানুষের সাহায্যে। নিজ হাতে দুস্থ, অসহায় মানুষকে খাবার পরিবেশন করছেন এই বলিউড তারকা। পথের ধারে অসহায় জীবজন্তুদের দেখভাল করছেন তিনি। মেয়ের এসব কর্মকাণ্ড দেখে রীতিমতো উদ্বিগ্ন জ্যাকুলিনের মা–বাবা। তাঁরা চান, এই পরিস্থিতিতে ঘরের মেয়ে এখন ঘরে ফিরে আসুক। ৩৫ বছরের জ্যাকুলিন শ্রীলঙ্কায় থাকতেন। কাজের সূত্রে ভারতে গিয়ে তিনি এখন মুম্বাইবাসী। তাঁর মা–বাবা এখন বাহরাইনে থাকেন। করোনাকালে ভারতের এই কঠিন পরিস্থিতি দেখে রীতিমতো দুশ্চিন্তায় আছেন জ্যাকুলিনের মা–বাবা। তাই তাঁদের আহ্বান, মেয়ে বাহরাইনে ফিরে আসুন, তাঁদের সঙ্গে থাকুন। জ্যাকুলিন এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সে কথা। এই বলিউড তারকা বলেন, ‘শ্রীলঙ্কায় আমার বন্ধুরা আর বাহরাইনে অভিভাবক আমাকে নিয়ে খুবই চিন্তিত। তাঁরা ভারতের পরিস্থিতি খবরে দেখেন আর এসব দেখে ঘাবড়ে যান।’ জ্যাকুলিন আরও বলেন, ‘তাঁরা (মা–বাবা) চান, আমি বাহরাইনে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে থাকি। এমনকি আমার চাচা ও চাচাতো ভাই-বোনেরা চায়, আমি শ্রীলঙ্কায় ফিরে যাই। আর সেখানে গিয়ে তাদের সঙ্গে থাকি। কিন্তু আমার ইচ্ছা, আমি এখানেই থাকব আর নিজেকে ব্যস্ত রাখব।’করোনাকালের শুরু থেকে জ্যাকুলিন নানাভাবে মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি চালু করেছেন ইউ অনলি লিভ ওয়ানস (ওয়াইওএলও) নামের এক সংস্থা। এ সংস্থার মাধ্যমে তিনি বেশ কিছু এনজিওর সঙ্গেও যুক্ত হয়েছেন। এই বলিউড তারকা ‘ওয়াইওএলও’ সংস্থার মাধ্যমে এক লাখ মানুষের খাবার, বেওয়ারিশ প্রাণীর খাবার আর মুম্বাই পুলিশকে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ করেছেন। বেশ কিছুদিন আগে জ্যাকুলিনের একটি ভিডিও বের হয়, যেখানে তাঁকে রান্না করতে আর খাবার বিতরণ করতে দেখা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ভীষণ আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত জ্যাকুলিনের অনুরাগীরা।জ্যাকুলিনের হাতে এই মুহূর্তে রয়েছে ‘কিক টু’, ‘ভূত পুলিশ’, ‘সার্কাস’, ‘বচ্চন পান্ডে’, ‘রাম সেতু’র মতো ছবি। হলিউডেও অভিষেক হতে যাচ্ছে তাঁর। লীনা যাদবের ‘শেয়ারিং আ রাইড’ ছবির মাধ্যমে হলিউডে পা রাখতে যাচ্ছেন জ্যাকুলিন।

Source:Protho Alo

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries