সুন্দরগঞ্জে আলোকফাঁদ উৎসব

একেএম শামছুল হক, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ কৃষককের প্রাণ ক্ষেতের ফসল রক্ষায় কৃষকদেরকে ক্ষতিকারণ পোকা চিহ্নিত করতে বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা মৎস্য হাচারী সংলগ্ন আলোকফাদ উৎসব পালন করা হয়। চলতি বোরো মৌসুমে ধান ক্ষেতের আইলে সন্ধ্যার পর বাতিল জ্বালিয়ে তার নিচে গামলায় সাবান মিশ্রিত পানি মিশিয়ে আলোক ফাঁদ ব্যবহার করা হয়। আলোক ফাঁদ উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম গোলাম কিবরিয়া, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কায়সার ইবনে ফজল, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাশেদুল কবির, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা খাদেমুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক একেএম শামসুল হক, উপসহকারী কৃষি অফিসার মাহবুবুর রহমান, শামছুল হক, আলী আযম, সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার মাহফুজা বেগম প্রমুখ। উপস্থিত শতাধিক কৃষক কৃষাণীদের মাঝে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাশেদুল কবির আলোকফাঁদে আসা ফসলের পোকাগুলোর মধ্যে উপকারী পোকা ও ক্ষতিকারণ পোকা চিহ্নিত করে দেন। এতে দেখা যায়, ক্ষতিকারক পোকার সংখ্যা চিল খুবই নগণ্য। উপজেলা কৃষি অফিসার রাশেদুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম গোলাম কিবরিয়া ফসল বাঁচাতে কৃষকদের উদ্যোগে আগাম প্রস্তুতি আলোকফাঁদ ব্যবহারের জন্য উদ্ধুত করেণ।

সুন্দরগঞ্জে স্বামীকে বেকায়দায় ফেলতে রোগী সেজে স্ত্রী হাসপাতালে
একেএম শামছুল হক, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
সুুন্দরগঞ্জ উপজেলা খামার ধুবনী গ্রামে দুলা ভাইয়ের কু-বুদ্ধিতে স্বামীকে বেকায়দায় ফেলতে স্ত্রী রহিমা রোগি সেজে হাসপাতালে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বিগত ১৩ বছর পূর্বে খামার ধুবনী গ্রামের আব্দুল লতিফের পুত্র রেজাউলের সহিত পূর্ব ছাপড়হাটী গ্রামের সৈয়দ আলীর কন্যার রহিমার বিয়ে হয়। দীর্ঘ ১৩ বছর সংসার জীবনে তাদের কোল জুড়ে আসে ২ ছেলে সন্তান। বড় ছেলে লিয়াকত আলী (৮), রায়হান মিয়া (২)। স্বামী কাজের সন্ধানে দেশের বিভিন্ন শহরে শ্রম বিক্রি করে। গত ৪ মাস পূর্বে রেজাউল কাজের তাগিদে বাহিরে গেলে এরই ফাঁকে বড় দুলা ভাই আয়নাল যাওয়া আসার এক পর্যায়ে রহিমাকে কু-পরামর্শ দিতে থাকে। এরই জের ধরে গত ১৯ মার্চ রেজাউল বাড়ি ফিরলে স্ত্রী রহিমা তাকে গাল মন্দ করতে থাকে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী স্ত্রীকে চর থাপ্পর মারে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দুলা ভাইয়ের দেয়া বুদ্ধিতে ঘরে থাকা নগদ অর্ধ লক্ষ টাকা নিয়ে বাবার বাড়ি যায়। পরদিন রহিমাকে গুম করা হয়েছে বলে প্রবাকান্ড ছড়ায় ও গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতালে রোগি সেজে ভর্তি হয়। দুলা ভাইয়ের কাছে জমি বন্ধকের ১ লক্ষ টাকাও আত্মসাতের কৌশল অবলম্বন করে নারী নির্যাতনের মিথ্যা মামলা দায়ের করে। রহিমার বড় ছেলে লিয়াকত আলী জানান, আব্বু যখন বাড়িতে থাকে না তখন খালু (আয়নাল) ঘনঘন আসে। আম্মু সাথে ঘরে বসে গল্প করে। আর বলে রেজাউল বাড়িতে আসলে তার সাথে ঝগড়া করবি। ছোট ছেলে রায়হান মায়ের বুকের দুধ পান করার জন্য বিলাপ করছিল।