রাণীনগরে আইন-শৃংখলা সভা থেকে চেয়ারম্যানদের ওয়াক আউট

রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা : নওগাঁর রাণীনগরে মাসিক আইন-শৃংখলা সভা থেকে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা এক যোগে ওয়াক আউট করেছেন। উপজেলায় জনপ্রতিনিধির বসত বাড়িতে ককটেল হামলা, প্রকাশ্য দিবালোকে মারপিট ও পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার কারণে এবং চেয়ারম্যানদের নিরাপত্তার দাবিতে মাসিক আইন-শৃংখলা সভা চলাকালীন সময়ে ইউপি চেয়ারম্যানরা ওয়াক আউট করার এঘটনা ঘটে। জানা গেছে, গতকাল সোমবার উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে চলতি মাসের আইন শৃংখলা বিষয়ে মাসিক সভা চলছিল। সভা চলাকালে এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থীতি স্বাভাবিক রয়েছে এমনটি রাণীনগর থানার ওসির প্রতিনিধি এসআই হুমায়ন কবির জানালে গোনা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত খান হাসান এর প্রতিবাদ জানান । এর পর রাণীনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের উপর হামলার ঘটনা উপস্থাপন করেন। সেই সাথে জরিতদের গ্রেফতার না করার প্রদিবাদে এবং জণপ্রতিনিধিদের নিরাপত্তা দাবিতে গোনা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত খান হাসান এর নেতৃত্বে ৮টি ইউপি চেয়ারম্যানরা এক যোগে ওয়াক আউট করে চলে যান । এর পর সভায় উপস্থিত সবার অনুরোধক্রমে প্রায় ২০ মিনিট পর চেয়ারম্যানরা আবারো সভায় যোগ দেন। এব্যাপারে ৩নং গোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত খান হাসান জানান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান পিন্টুকে কতিপয় চিহিৃত দূর্বৃত্তরা বেশকিছু দিন ধরে প্রাণনাশের চেষ্টা করছে। এর ধারাবাহিকতায় প্রকাশ্য দিবালোকে তাকে হত্যার উদ্দ্যোশে জখম করা হয়। এছাড়া রবিবার রাতে তার বাড়ীতে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। বিষয়গুলো বারবার আইন-শৃংখলা সভায় থানাপুলিশকে অবগত করা হলেও রহস্যজনক কারণে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় সঠিক তদন্ত ও দোষিদের গ্রেফতারের দাবিতে আইন-শৃংখলা সভা চলাকালীন সময়ে একযোগে আমরা ওয়াক আউট করি। এব্যাপারে রাণীনগর থানার ওসি এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,চেয়ারম্যানরা যুক্তি-বুদ্ধি করে মিটিং থেকে বাহিরে গিয়েছিল । পরে আবার তারা মিটিংয়ে যোগদান করেছেন। এব্যাপারে আইন শৃংখলা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া বিনতে তাবিব জানান,এটা তেমন কোন ঘটনা নয় ।