সুন্দরগঞ্জে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকের নব-নির্বাচিত কমিটির অভিষেক

এ.কেএম শামছুল হক, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ  গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত কমিটির সদ্যেদের অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল রোববার অভিষেক অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্মাণ শ্রমিকের অস্থায়ী কার্যলয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নব-নির্বাচিত কমিটির সদস্যদের গলায় আনন্দঘন পরিবেশে পুস্পমাল্য পরিয়ে দেন শ্রমিকরা। নির্বাচিত কমিটির সদস্যরা হলেন, সভাপতি আঃ খালেক মিয়া, সহ-সভাপতি আঃ রাজ্জাক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ছাদেক আলী প্রামাণিক, সহ- সম্পাদক আবুর কাশেম, সাংগঠনিক সম্পাদক সুজা মিয়া, অর্থ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, প্রচার সম্পাদক মোজাম্মেল হক, ধর্মীয় সম্পাদক মকবুল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক আঃ হান্নান মিয়া। এর আগে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার লুৎফর রহমান মুক্তা নব-নির্বাচিত কমিটির সদস্যদেরকে উপস্থিত সকলের মাঝে পরিচয় করিয়ে দেন।
উল্লেখ, গত ১৯ জানুয়ারি ত্রি-বার্ষিক এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে এক হাজার ৭৬০ জন ভোটারের মধ্যে এক হাজার ৫০৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

সুন্দরগঞ্জে গণিতের প্রশ্নপত্র ফাঁস

প্রশ্নফাঁকারীকে কেন্দ্রে ৩ ঘন্টা আটকঃ পরে উধাও

এ.কেএম শামছুল হক, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার স্্ুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা এমসি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্র নং- সুন্দরগঞ্জ সি-৫৬৬ নং কেন্দ্রে গত শনিবার গণিত পরীক্ষা শুরু হওয়ার পূর্বে উপজেলার উত্তর রাজিবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিত (বিএসসি) শিক্ষক ফারুকুল ইসলাম বেলকা বাজারের একটি কম্পিউটারের দোকান থেকে গণিত প্রশ্ন প্রিন্ট করে বিক্রি করা কালে স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে কেন্দ্র কর্র্র্তৃপক্ষকে জানায়। কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রাশিদুল কবিরের নির্দেশে পুলিশ তাকে আটক করে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কেন্দ্রের একটি কক্ষে আটকে রাখে। এরপর সে উধাও হয়ে যায়। এ ঘটনা কেন্দ্রের বাহিরে ব্যাপক সমালোচিত হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট মোবাইল ফোনে যোগযোগ করে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আমার কাছে কোন তথ্য নেই। অপর দিকে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশিদুল কবির জানান, পরীক্ষা চলাকালীন সময় একজন শিক্ষক ও ছাত্র পরীক্ষারথীকে নকল দেওয়ার সময় পুলিশ তাদেরকে আটক করে এ ঘটনা সাথে সাথে নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়। এদিকে প্রশ্নসহ হাতে-নাতে ধরা পরেও তিনঘন্টা আটকের পর কীভাবে শিক্ষক ফারুকুল ইসলাম উধাও হল ও তার বিরুদ্ধে কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হলো না এ জিজ্ঞাসা এলাকাবাসীর। এলাকার সচেতন মহল মনে করেন কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কেন্দ্র সচিব দু’জনে মিলেমিশে বিষয়টি ধামাচাপা দিয়েছে- তাই তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার দাবী জানান।