সুন্দরগঞ্জে অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্য আটক

এ.কেএম শামছুল হক, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
উপজেলায় সাতগিরি গ্রামে অজ্ঞান করে চুরি করতে গেলে অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্যকে আটক করেছে এলাকাবাসি।
জানা গেছে, গত রোববার দিবাগত রাতে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নে সাতগিরি গ্রামে গদাধর বর্মণের বাড়িতে সু-কৌশলে প্রবেশ করে পরিবারের সকল সদস্যকে নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করিলে সকলেই অজ্ঞান হয়ে যায়। অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা গদাধরের ঘরে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল সেট ও স্বর্ণালঙ্কারসহ যাবতীয় মালামাল নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসি তাদেরকে আটক করে। আকটকৃতরা হলেন- সাহাবাজ গ্রামের মোহাম্মদ আলী প্রামানিকের ছেলে শাহ আলম ও মনমথ সরকার পাড়া গ্রামের সুবল চন্দ্রের ছেলে কৃষ্ণ চন্দ্র। পরে তাদেরকে থানা পুলিশে সোপর্দ্দ করা হয়। থানা অফিসার ইনচার্জ আতিয়ার রহমান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সুন্দরগঞ্জে নতুন করে দলিল লেখক
অনুমোদন না দেয়ার দাবী জানিয়েছেন দলিল লেখক সমিতি
এ.কেএম শামছুল হক, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে নতুন করে দলিল লেখক অনুমোদন না দেয়ার দাবী জানিয়েছেন সুন্দরগঞ্জ দলিল লেখক সমিতি।
জানা গেছে, উপজেলার ১৫ ইউনিয়ন ও একটি পৌর এলাকার মধ্যে ৬ টি ইউনিয়ন নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এর মধ্যে ৯ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার জমি-জমা ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসের আওতায় ১’শ ৬০ জন অনুমোদিত দলিল লেখক দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এতে করে এ সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে প্রতিবছর ১০ থেকে ১২ হাজার দলিল সম্পাদন হলেও তা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। এ অবস্থায় কর্তব্যরত দলিল লেখকদের অনেকেই দলিল সম্পাদন করতে না পেরে কর্মহীন হয়ে পড়ছেন। এদিকে অনুমোদিত দলিল লেখকের সংখ্যা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় কর্মরত দলিল লেখকরা চরম হতাশায় ভূগছেন। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন এভাবে দলিল লেখকের সংখ্যা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে প্রকৃত দলিল লেখকরা সম্পূর্ণভাবে কর্মহীন হয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে পথে বসতে বাধ্য হবেন। দলিল লেখক সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী জানায়, এভাবে দলিল লেখকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে বাপ-দাদার পেশা দলিল লেখা ছেড়ে দিয়ে পথে বসতে হবে। তারা নতুন করে দলিল লেখার অনুমোদন না দেয়ার দাবী জানিয়ে গতকাল সোমবার মহাপরিদর্শক নিবন্ধন অধিদপ্তর বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।