পলাশ ফুল ,লেখা ও ছবিঃ মোহাম্মদ নূর আলম গন্ধী

বসন্ত মানেই টকটকে লাল ফুলে ফুলে ভরে থাকা পলাশের বন। আর পলাশ ফোটা ফাগুন দিন কার’না ভাল লাগে। পলাশ ফোটা ফাগুন দিনের মায়াময় রূপের বাহার নিয়েও রয়েছে কাব্যময় কতোনা কথা। ফাগুন দিনে পলাশের এ রূপের বাহার বর্ণনায় তুলে ধরেছেন অনেক কবিই তাঁদের কবিতায় ও পঙংক্তি মালায়। সবুজ বনের সমারোহের মাঝে পলাশ গাছে ফুল ফোটা দেখে মনে হয় পলাশ গাছ যেন এক অগ্নি শিখা রূপ ধারণ করে আছে। এ জন্য পলাশ ফুলকে অরণ্যের অগ্নি শিখাও বলা হয়ে থাকে। তাছাড়া ফুল ফোটা গাছ অত্যন্ত নজর কাড়া যা দূর থেকেও তা চোখে পড়ে। যার ধরুন পলাশ ফুল প্রায় সব মানুষের নজর কাড়ে।শাখা-প্রশাখার অগ্রভাগে থোকায় থোকায় ফুল ধরে। পলাশ পুলের কুঁড়ি দেখতে অনেকটা বাঘের নখের আকৃতি দেখায়।ফুল ফোটার ব্যপ্তি বসন্তকালের পুরু সময় জুড়ে। পলাশের আদিনিবাস মিয়ানমার। এর পরিবার ঃ ঋবনধপবধব,উদ্ভিদ তাত্বিক নামঃ ইঁঃবধ সড়হড়ংঢ়বৎসধ।পলাশ বৃক্ষ জাতীয় ফুল গাছ। গাছের উচ্চতা গড়ে ১২ থেকে ১৫ মিটার হয়ে থাকে। পত্র ঝরা বৃক্ষ,শীতে গাছের সমস্ত পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মে গাছে নতুন পাতা গজায়।তাছাড়া ফুল ফোটার সময়ে গাছ থাকে পত্র শুন্য অবস্থায়। গাছের শাখা-প্রশাখা নরম প্রকৃতির হয়। ফুল শেষে গাছে ফল ধরে এবং বীজ ও ডাল কাটিং এর মাধ্যমে পলাশের বংশ বিস্তার ঘটানো যায়। ফুল ফোটন্ত গাছে চেনা-অচেনা নানান পাখি ভিড় জমায় এবং পাখির কলকাকলিতে চারদিক মুখরিত করে তুলে। আমাদের দেশে প্রায় অনেক স্থানেই বিচ্ছিন্ন ভাবে ছোট-বড় পলাশ ফুল গাছ চোখে পড়ে। এর মাঝে রাস্তার ধার,নদীর ধার,বন জঙ্গল, বাঁধের ধার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গনের সিমানায় পলাশ ফুল গাছ চোখে পড়ে।