নওগাঁর আত্রাইয়ের জেলে পল্লীর শিশুরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত

রুহুল আমিন, আত্রাই(নওগাঁ)সংবাদদাতা:নওগাঁর আত্রাইয়ে আজও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে জেলে পল্লীর কোমলমতি শিশুরা । প্রয়োজন থাকা সত্বেও উপজেলার রসুলপুর জেলে পল্লীতে আজও গড়ে উঠেনি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দেশের জনগোষ্ঠিকে শত ভাগ শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার।
পাশাপাশি কাজ করছে বেসরকারি সংগঠনগুলোও। এ ক্ষেত্রে অনেকটা সফলতা এলেও এখনও পিছিয়ে রয়েছে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১নং শাহাগোলা ইউনিয়নের রসুলপুর জেলে পাড়ার কোমলমতি শিশুরা। এই এলাকায় এখনও পর্যন্ত কোন মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেনি বলে জানা গেছে। এ জেলে পাড়াতে প্রায় শতাধিক পরিবারের বসবাস। পরিবার গুলোতে বিদ্যালয়ে গমন উপযোগী হিন্দু সম্প্রদায়ের অর্ধশতাধিক শিশু রয়েছে। এদের লেখাপড়ার কোন সুযোগ নেই। ফলে যুগ যুগ ধরে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে পিছিয়ে পড়া হিন্দু ধর্মের জেলে সম্প্রদায়ের শিশুরা।
জানা যায়, এই গ্রামে যুগ যুগ ধরে হিন্দু সম্প্রদায়ের জেলে পরিবার বসবাস করে আসছে। এ এলাকার প্রতিটি পরিবারই দরিদ্র এবং অধিকাংশ পরিবার পেশায় মৎস্যজীবী। এ জেলে পাড়াতে এ পর্যন্ত কোন মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেনি। নেই কোন প্রাইভেট পাঠশালাও। আছে শুধু একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রসুলপুর বামাকালী মন্দির। শিক্ষা, বিদ্যুৎ, সড়কসহ সকল উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে পড়া এই গ্রামে কোন মন্দির ভিত্তিক স্কুল না থাকায় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকার অসংখ্য কোমলমতি শিশু। স্কুলে পড়ার বয়সেই তারা খেলাধুলা করে মূল্যবান সময় নষ্ট করছে। পার্শ্ববর্তী ভবানীপুর গ্রামে মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও ছোট্ট কচিকাচা কোমলমতি শিশুদের যাতাযাতের দুরুত্ব বেশী হওয়ায় তাদের হিমশিম খেতে হয়।
এ বিষয়ে নাগরিক উদ্যোগের শাহাগোলা ইউনিয়নের দলিত মানবাধিকার কর্মী শ্রীঃ দিনেশ কুমার পাল বলেন, শাহাগোলা ইউনিয়নের বিভিন্ন মন্দিরে স্কুল প্রতিষ্ঠিত হলেও রসুলপুর জেলে পাড়া বামাকালী মন্দিরে কোন মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন না হওয়ায় এ এলাকার কোমলমতি শিশুরা শিক্ষা থেকে দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে। তিনি আরো বলেন এখানে এলাকার নিরক্ষরতা দুর করতে দ্রুত প্রয়োজন একটি মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
রসুলপুর জেলে পাড়া বামাকালী মন্দিরের সভাপতি শ্রীঃ মিলন চন্দ্র সরকার জানান, আমরা মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে এখানে একটি মন্দির ভিত্তিক স্কুল স্থাপনের জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট বেশ কয়েক বার ধর্ণা দিয়েছি কিন্তু কোন লাভ হয়নি।
এ ব্যাপারে ১নং শাহাগোলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবু জানান, রসুলপুর জেলে পাড়াতে মন্দির ভিত্তিক একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা হলে এলাকার শিশুরা লেখাপড়ার প্রতি আরো বেশি আগ্রহী হতো এবং তিনি রসুলপুর বামা কালী মন্দিরে একটি মন্দির ভিত্তিক স্কুল প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্বারোপ করে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলার মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের ফিল্ড সুপারভাইজার মোঃ বাবুল মিয়া জানান, রসুলপুর বামা কালী মন্দিরে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশাকরি দ্রুত এখানে একটি স্কুল স্থাপন হবে।
এদিকে অতিদ্রুত রসুলপুর বামা কালী মন্দিরে মন্দির ভিত্তিক স্কুল চালু করে এলাকাবাসীর শিক্ষা ব্যবস্থার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করবেন কর্তৃপক্ষ, এমনটিই মনে করেন এলাকার সচেতন মহল।

জানা যায়, এই গ্রামে যুগ যুগ ধরে হিন্দু সম্প্রদায়ের জেলে পরিবার বসবাস করে আসছে। এ এলাকার প্রতিটি পরিবারই দরিদ্র এবং অধিকাংশ পরিবার পেশায় মৎস্যজীবী। এ জেলে পাড়াতে এ পর্যন্ত কোন মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেনি। নেই কোন প্রাইভেট পাঠশালাও। আছে শুধু একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রসুলপুর বামাকালী মন্দির। শিক্ষা, বিদ্যুৎ, সড়কসহ সকল উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে পড়া এই গ্রামে কোন মন্দির ভিত্তিক স্কুল না থাকায় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকার অসংখ্য কোমলমতি শিশু। স্কুলে পড়ার বয়সেই তারা খেলাধুলা করে মূল্যবান সময় নষ্ট করছে। পার্শ্ববর্তী ভবানীপুর গ্রামে মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও ছোট্ট কচিকাচা কোমলমতি শিশুদের যাতাযাতের দুরুত্ব বেশী হওয়ায় তাদের হিমশিম খেতে হয়।
এ বিষয়ে নাগরিক উদ্যোগের শাহাগোলা ইউনিয়নের দলিত মানবাধিকার কর্মী শ্রীঃ দিনেশ কুমার পাল বলেন, শাহাগোলা ইউনিয়নের বিভিন্ন মন্দিরে স্কুল প্রতিষ্ঠিত হলেও রসুলপুর জেলে পাড়া বামাকালী মন্দিরে কোন মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন না হওয়ায় এ এলাকার কোমলমতি শিশুরা শিক্ষা থেকে দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে। তিনি আরো বলেন এখানে এলাকার নিরক্ষরতা দুর করতে দ্রুত প্রয়োজন একটি মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
রসুলপুর জেলে পাড়া বামাকালী মন্দিরের সভাপতি শ্রীঃ মিলন চন্দ্র সরকার জানান, আমরা মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে এখানে একটি মন্দির ভিত্তিক স্কুল স্থাপনের জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট বেশ কয়েক বার ধর্ণা দিয়েছি কিন্তু কোন লাভ হয়নি।
এ ব্যাপারে ১নং শাহাগোলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবু জানান, রসুলপুর জেলে পাড়াতে মন্দির ভিত্তিক একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা হলে এলাকার শিশুরা লেখাপড়ার প্রতি আরো বেশি আগ্রহী হতো এবং তিনি রসুলপুর বামা কালী মন্দিরে একটি মন্দির ভিত্তিক স্কুল প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্বারোপ করে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলার মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের ফিল্ড সুপারভাইজার মোঃ বাবুল মিয়া জানান, রসুলপুর বামা কালী মন্দিরে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশাকরি দ্রুত এখানে একটি স্কুল স্থাপন হবে।
এদিকে অতিদ্রুত রসুলপুর বামা কালী মন্দিরে মন্দির ভিত্তিক স্কুল চালু করে এলাকাবাসীর শিক্ষা ব্যবস্থার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করবেন কর্তৃপক্ষ, এমনটিই মনে করেন এলাকার সচেতন মহল।

দৈনিক আমার বাংলাদেশ

দৈনিক আমার বাংলাদেশ

%d bloggers like this: