এখনই খোলা হচ্ছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান : প্রধানমন্ত্রী

গণভবন থেকে আজ রোববার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি : ফোকাস বাংলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যৎ এবং সরকার তাদের ঝুঁকিতে ফেলতে চায় না।’ শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলছি না, কারণ আমরা ধাপে ধাপে এগোতে চাই, যাতে তারা (শিক্ষার্থীরা) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত না হয়।’

গণভবন থেকে আজ রোববার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান তাঁর মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত ছিলেন। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ খবর জানিয়েছে।

এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যৎ এবং সরকার তাদের বিপদে ফেলতে চায় না। এ কারণে আমরা এখনই কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলব না। যদি আমরা এই (করোনাভাইরাস) পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারি, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধীরে ধীরে খুলব।’

বর্তমান পরিস্থিতি পুরো বিশ্বের জন্য একটি সংকট উল্লেখ করে সবাইকে আত্মবিশ্বাস রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আত্মবিশ্বাসই সবচেয়ে বড় বিষয়। পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, আমাদের তার মুখোমুখি হতে হবে।’

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেই দেশ প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের মুখোমুখি হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়সহ সব সংকটের মুখোমুখি হব এবং একসঙ্গে কাজ করব, এখন যেমন করছি।’

‘একসঙ্গে কাজ করলে দেশ করোনা মহামারি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে। এটিই লক্ষ্য এবং এটিই সরকারের সিদ্ধান্ত,’ যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শাটডাউন শিথিল করার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সবকিছু দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ ছিল। অন্যান্য দেশ পর্যায়ক্রমে তাদের অর্থনীতির চাকা খুলছে।’ এ প্রসঙ্গে জনগণের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ এবং খাদ্য ও আর্থিক সহায়তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি জানি না, বিশ্বের আর কোনো দেশ এত বিপুল (এর জিডিপির সমান) প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে কি না।’

Daily Amar bangladesh

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries