দেহুন্দা ও কিরাটন ইউনিয়নবাসীকে এরশাদ উদ্দিনের উপহার

মোঃ মনির হোসেন: করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে ঘরবন্দি পরিস্থিতির কারণে ভীষণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছে নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবার। তাদের অনেকের ঘরেই প্রয়োজনীয় খাবার নেই। তাদের কষ্টলাগব করার জন্য এরশাদ উদ্দিন মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ মিল স্কেল রি-প্রসেস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শিল্পপতি আলহাজ্ব এরশাদ উদ্দিন হাতে নিয়েছেন বিভিন্ন কার্যক্রম।

তারই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ৭ মে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার সাকুয়ায় ভাটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দেহুন্দা ও কিরাটন ইউনিয়নের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। বিতরণ শেষে উপস্থিত সকলের উদ্দ্যেশে করোনা ভাইরাসের উপর সচেতনামূলক বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব এরশাদ উদ্দিন।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান পল্টু, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “মানবতার দশ হাত” এর স্বেচ্ছাসেবীরা ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ অন্যান্যরা।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) করিমগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দিনব্যাপী খাদ্য সহায়তা উপহার বিতরণ করেছেন। পরবর্তীতে ২৩ এপ্রিল করিমগঞ্জ পৌরবাসীর মাঝে ত্রাণ সামগ্রী উপহার দিয়েছেন।

২৫ এপ্রিল করিমগঞ্জের কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য কর্মীদের পিপিই উপহার দেন।

রবিবার ২৬ এপ্রিল কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা ইউনিয়ন ও তার আশেপাশের কয়েকটি ইউনিয়নে গিয়ে তিনি দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী উপহার দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার জয়কা ইউনিয়ননের মদি বাজারস্থ ঈদগাহ মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

এছাড়া আলহাজ্ব এরশাদ উদ্দিন গত ১৩ এপ্রিল থেকে গোপনে দুর্দিনে পড়া নিম্নমধ্যবিত্ত-মধ্যবিত্তদের সহায়তা করে চলেছেন।

প্রসঙ্গত, শিল্পপতি আলহাজ্ব এরশাদ উদ্দিন দীর্ঘ বছর যাবত এরশাদ উদ্দিন মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে এলাকার হতদরিদ্র, প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের সহযোগিতা প্রদান করে আসছেন। আগাম বন্যায় কৃষকের ফসলহানিসহ যেকোন দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে তিনি বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে পরম বন্ধুর মতো সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি।

Daily Amar bangladesh

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries