কুলিয়ারচরে নিজ উদ্যোগে শহীদ মিনার গড়ছে নাজমুল ইসলাম খাঁন

মোঃ নাঈমুজ্জামান নাঈম, প্রতিনিধি, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)ঃ- আজকের শিশু আগামী দিনের ধারক,বাহক, তারাই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। তাদের হাতে থাকবে সমাজ উন্নয়ন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনার দায়িত্ব । তাই শৈশব থেকে যাতে দেশাত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হয়, সেই জন্যেই বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার জরুরী । কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার রামদী ইউনিয়নের ৩৫ নং মনোহরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে জমি দাতার পারিবারিক সহযোগীতায় নিজ উদ্যোগে প্রায় ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা খরচ করে শহীদ মিনার নির্মাণ শুরু করেছে বিদ্যালয় পরিচালনার কমিটির নব-নির্বাচিত সভাপতি নাজমুল ইসলাম খাঁন। ওনার এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানান, আমাদরে মাতৃভাষা বাংলা প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারীকে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আমাদের এলাকার অনেক শিক্ষার্থী ২১ শে ফেব্রুয়ারীর মর্যাদা ও গুরুত্ব কি সেটি জানে না । নাজমুল ইসলাম খাঁনের এমন উদ্যোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা মাতৃভাষা এবং মাতৃভাষার গুরুত্ব ও মর্যাদা সম্পর্কে ধারণা লাভ করবে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কৃষ্ণা সাহা বলেন,নব-নির্বাচিত সভাপতিকে পেয়ে আমরা খুবই ধন্য। তিনি বিদ্যালয় জমিদাতা পরিবারের সদস্য । ওনার নিজ উদ্যোগে শহীদ মিনার নির্মাণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক্ষ,শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের সহ এলাকাবাসীদের আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব ও মর্যাদা সম্পর্কে জানতে অনুপ্রাণিত করবে । আমি মনে করি প্রতিটি বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতিগণ শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত ।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নব-নির্বাচিত সভাপতি নাজমুল ইসলাম খাঁন বলেন, সারা বিশ্বব্যাপী ২১শে ফেব্রুয়ারী কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। কিন্তু মনোহরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার না থাকায় শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারে না। তাই আমি স্কুল প্রাঙ্গণে মনোরম পরিবেশে একটি শহীদ মিনার তৈরী করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।