মানবশরীরে পরীক্ষায় যাচ্ছে আরেকটি ভ্যাকসিন, উৎপাদন হবে ১১০ কোটি

যুক্তরাষ্ট্রের একটি কোম্পানি তাদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিন মানবশরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করতে যাচ্ছে। ম্যারিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যভিত্তিক বায়োটেকনোলজি কোম্পানি নোভাভ্যাক্স অন্তত ১৩০ জনের শরীরে ভ্যাকসিনটির পরীক্ষা করতে যাচ্ছে বলে গতকাল সোমবার ঘোষণা দেয়।

পরীক্ষা নিরীক্ষার পরবর্তী ধাপগুলোতে সফল হলে এবছর ১০ কোটি ও সামনের বছর ১০০ কোটি ভ্যাকসিন উৎপাদন করবে নোভাভ্যাক্স। সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ খবর জানিয়েছে।

করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ প্রতিরোধে বিশ্বব্যাপী শতাধিক গবেষকদল ভ্যাকসিন আবিষ্কারে ব্যস্ত রয়েছেন। তবে মানবশরীরে পরীক্ষা করার পর্যায়ে গেছে এমন বিবেচনায় এটি দশম।

অস্ট্রেলিয়ায় এক স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করবে মার্কিন কোম্পানি নোভাভ্যাক্স। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, গবেষণাগারের পরীক্ষায় দেখা গেছে, কোম্পানিটির এনভিএক্স-কোভ২৩৭৩ নামক এ ভ্যাকসিন নিরপেক্ষ অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সক্ষম হচ্ছে।

তবে তাদের এ গবেষণা কোনো চিকিৎসা বিষয়ক প্রসিদ্ধ জার্নালে প্রকাশিত হয়নি। কোম্পানির বিবৃতিতে ভ্যাকসিনটি সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে।

বড় ধরনের ঝুঁকি নিতে চায় কোম্পানিটি। মানব শরীরে পরীক্ষার সময়েই ব্যাপকহারে উৎপাদনে যেতে চায় তারা। যাতে করে পরীক্ষায় সফল হলে দ্রুত তা বাজারজাত করা যায়। জুলাইয়ের মধ্যেই এর কার্যকারিতা ও এটি নিরাপদ কি না, প্রাথমিকভাবে তা জানা যাবে বলে আশাবাদী কোম্পানিটি।

ভ্যাকসিনটির উৎপাদনের জন্য ৩৮৮ মিলিয়ন (৩৮ কোটি ৮০ লাখ) মার্কিন ডলার পাচ্ছে কোম্পানিটি। এ অর্থ দিচ্ছে মহামারি প্রতিরোধ গঠিত বিশ্বের সরকারি বেসরকারি ও দাতব্য সংস্থাগুলোর জোট দ্য কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনস (সিইপিআই)।

নোভাভ্যাক্সের মুখপাত্র সিএনএনকে বলেন, এ বছরের মধ্যেই ১০ কোটি ভ্যাকসিন প্রস্তুত করতে পারবেন তাঁরা। আর ২০২১ সালের মধ্যেই তা ১০০ কোটি হবে।