করোনার ৮ টিকার পরীক্ষা চলছে মানবদেহে

করোনার কার্যকর টিকা আবিষ্কারে দিন-রাত কাজ করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। গোটা বিশ্ব তাকিয়ে আছে এই টিকার দিকে। করোনার টিকা আবিষ্কার কতদূর এগোল তা নিয়ে প্রতিনিয়তই সর্বশেষ খবর জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বুধবারও সংস্থাটি ‘কোভিড-১৯ টিকা খসড়া’ সংক্রান্ত আপডেটে করোনার টিকা নিয়ে একটি নথি প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, করোনার টিকা নিয়ে বিশ্বজুড়ে ৮টি সংস্থা মানবদেহে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করেছে। এছাড়া টিকা আবিষ্কারে আরও একশ’র মতো উদ্যোগ জারি রয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, মানবেদেহে যে ৮ টি টিকার ট্রায়াল চলছে তার মধ্যে চারটিই চীনের তৈরি। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ডিএনএন-ভিত্তিক টিকা ছাড়া অন্য সব টিকা মানবদেহে ট্রায়ালের ক্ষেত্রে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে আছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, অন্তত এই বছরের শেষের দিকে যাতে করোনার টিকা বাজারে আনা যায় সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে সংস্থাগুলো।

সাধারণত টিকা উদ্ভাবন ও বাজারজাত করতে ৭ থেকে ৮ বছর লাগে। এছাড়া মানদেহে ট্রায়ালের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রতিবার ৫০০ থেকে ১ হাজার সেচ্ছাসেবীরে প্রয়োজন পড়ে। পাশাপাশি এ ধরনের পরীক্ষা শেষ করতে ২ থেকে ৩ বছর সময় লাগে। কিন্তু কোভিড-১৯ এর ভয়াবহতার কারণে এর টিকা তৈরির কাজ বেশ দ্রুতগতিতে চলছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও জানিয়েছে, মানবদেহে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের বাইরেও যে একশ’টি সংস্থা করোনার টিকা আবিষ্কারে কাজ করছে তার মধ্যে বেশ কয়েকটি ভারতীয় সংস্থা রয়েছে।

এদিকে, ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাফতলি বেনেটের বরাত দিয়ে একটি সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই দেশের বিজ্ঞানীরা নভেল করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি তৈরিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পেয়েছেন। গবেষকরা অ্যান্টিবডি তৈরির প্রথম পর্বের কাজ শেষে করোনার সম্ভাব্য এই চিকিৎসা পদ্ধতির প্যাটেন্ট এবং গণহারে উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। এছাড়া মঙ্গলবার ইউরোপীয়ন ইউনিয়ন আয়োজিত একটি অনলাইন শীর্ষ সম্মেলনে ৪০ টিরও বেশি দেশ ও দাতা সংস্থা করোনার টিকা, গবেষণা ও চিকিৎসার জন্য ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

গোটা বিশ্বে এরই মধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ লাখের বেশি মানুষ। এতে মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি জনের।

Daily Amar bangladesh

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries