আজ বৃহস্পতিবার ২৩ শে এপ্রিল যুক্তরাজ্যে গিলবার্টের তৈরী ChAdOx1 এবং ChAdOx2 এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হবে মানুষের শরীরে

আমার বাংলাদেশ নিউজ
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকিনোলোজি ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর সারা গিলবার্টের তৈরী ChAdOx1 এবং ChAdOx2 এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হবে মানুষের শরীরে। যদি এই প্রয়োগ সফল হয় তবে ইন্শাআল্লাহ করোনা পরাজিত হবে।মানবজাতি মুক্ত হবে এই মহামারির অভিশাপ থেকে।
অক্সফোর্ডের গবেষক ভাইরোলজিস্ট সারাহ গিলবার্ট বলছেন, দেহকোষের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে তাঁদের তৈরি ভ্যাকসিন।

অক্সফোর্ডে ১৯৯৪ সাল থেকেই ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছেন সারাহ। তিনি বলেছেন, এ ভেক্টর ভ্যাকসিনের সংক্রমণ ঠেকানোর ক্ষমতা ৮০ শতাংশ। মানবদেহে এ ভ্যাকসিনের পরীক্ষা যদি সফল হয়, তাহলে এটাই হতে পারে করোনার যুগান্তকারী ভ্যাকসিন।

ভেক্টর ভ্যাকসিন সাধারণত তৈরি করা হয় কোনো রাসায়নিকভাবে নিষ্ক্রিয় ভাইরাস দিয়ে, যার উপরিভাগে থাকা প্রোটিনগুলো দেহকোষের মধ্যে ঢুকিয়ে কোষকে জাগিয়ে তোলার প্রক্রিয়া চলে। এ ভাইরাল প্রোটিনগুলো অ্যান্টিজেন কোডিং প্রোটিন হয়, যা মানুষের শরীরের কোষকে তার স্বাভাবিক অ্যান্টিবডি বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরির জন্য উদ্দীপিত করে। এমন ভ্যাকসিনের উদাহরণ হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন। হেপাটাইটাস বি ভাইরাসকে ব্যবহার করেই ওই ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়েছিল।

অক্সফোর্ডের করোনার প্রতিষেধক গবেষণার অন্যতম গবেষক অধ্যাপক অ্যান্ড্রু পোলার্ড বলেছেন, ‘ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়ে গেছে। সফল হলে এ ভ্যাকসিনের ডোজের মাত্রা ঠিক করা হবে। এ ভ্যাকসিন অনেক সুরক্ষিত ও নিরাপদ। মহামারি ঠেকাতে ভ্যাকসিনটি সার্বিকভাবে কাজে আসবে।’

মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম বা মার্স মহামারি ঠেকাতে আগেও ভ্যাকসিন তৈরি করেছে সারাহ গিলবার্টের দল। মার্স ও সার্সের সঙ্গে মিল রয়েছে করোনাভাইরাসের। তাই অক্সফোর্ডের এ করোনা ভ্যাকসিন কাজে আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে। অধ্যাপক গিলবার্ট বলেছেন, ভ্যাকসিনের ট্রায়াল সফল হলে সবার আগে যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের কর্মীদের ওপর তা প্রয়োগ করা হবে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, যাঁদের সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, আগে তাঁদের ওপরই করোনার এ ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হবে।

Daily Amar bangladesh

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries