ফুসফুসের সুস্থতা ও কার্যক্ষমতা বাড়ানোর পাঁচ উপায়

মানবদেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে ফুসফুস। যা কোনো কারণে নষ্ট হয়ে গেলে মৃত্যু ঘটাতে পারে। নানাভাবেই আমাদের দেহে রোগ বাসা বাঁধে। আর ফুসফুস আমাদের ভুলেই নষ্ট হতে থাকে।

তাই নিজের ফুসফুসের প্রতি হয়ে উঠুন আরও একটু বেশি যত্নবান। সাধারণত ফুসফুস কতটা সুস্থ রয়েছে তা বোঝা যায় একটি নির্দিষ্ট সময়ের হিসেবে তার বাতাস ধরে রাখার ক্ষমতা দেখে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এই ধারণক্ষমতা কমে। তাই বয়স ৪০ পেরলেই ফুসফুসের প্রতি নিয়মিত বেশি খেয়াল রাখা দরকার। কম বয়স থেকেই সেই যত্নের পাঠ শুরু হলে তা আরও ভালো ফলদায়ক হয়।

শরীরের গঠন অনুযায়ী নারীর তুলনায় পুরুষের ফুসফুসের ধারণক্ষমতা বেশি হয়। কিন্তু দীর্ঘ অনিয়ম ও অযত্নে তা কমতে পারে। আবার একটু বেশি যত্ন নিলে নারীর ফুসফুসেরও ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে তাকে সুস্থ রাখা যায়। তাই ফুসফুসের যত্নের প্রশ্নে নারী-পুরুষ উভয়কেই হতে হবে সচেতন।

ফুসফুস বিশেষজ্ঞদের মতে, ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারে নানা ধরনের ব্যায়াম, বিশেষ করে কিছু কার্ডিও এক্সারসাইজ। সঙ্গে অবশ্যই শ্বাসের কিছু ব্যায়াম, নিজের ওঠাবসার প্রতি খেয়াল রাখা, ধূমপান ত্যাগ— এসবও ফুসফুসের যত্নের জন্য প্রয়োজন। ফুসফুসের অ্যালভিওলাই যত শক্তিশালী ও পেশীগুলো যত মজবুত হবে, ততই তার বাতাস ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়বে।

চলুন জেনে নেয়া যাক ফুসফুসের সুস্থতা ও কার্যক্ষমতা বাড়ানোর পাঁচ উপায়-

শ্বাসের ব্যায়াম

ফুসফুলের কার্যক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন রুটিনে আনুন কিছু শ্বাসের ব্যায়াম। কেবল ইউ টিউব বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া দেখে নয়, রীতিমতো ফিটনেস বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে ডায়াফ্রাগমাটিক ব্রিদিং, পার্শড লিপস ব্রিদিং, নানা রকমের প্রাণায়াম ইত্যাদি অভ্যাস করুন। এতে ফুসফুসের পেশী শক্ত হওয়ার পাশাপাশি এর বাতাস ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ে।

কার্ডিও এক্সারসাইজ

সাইক্লিং, রোয়িং, ট্রেডমিল এই সব কার্ডিও এক্সারসাইজগুলো ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে খুব উপযোগী। তবে দীর্ঘ সময় ধরে একটানা অভ্যাস নয়, বরং মাঝে মাঝে কিছুটা বিরাম নিয়ে এই ধরনের ব্যায়াম রপ্ত করতে পারলে তা ফুসফুসের খাঁচাকে মজবুত করে। শরীরের অন্যান্য রোগের উপর নির্ভর করে এই ধরনের ব্যায়ামের সময়সীমা নির্ণীত হয়। তাই এই ব্যায়ামগুলোর আগেও ফিটনেস বিশেষজ্ঞ ও ট্রেনারের পরামর্শ প্রয়োজন।

পানি

শরীরের প্রয়োজন অনুপাতে পানির পরিমাণ নির্ধারিত হয়। প্রতিদিন কতটুকু পানি খাওয়া প্রয়োজন চিকিৎসকের কাছ থেকে পরামর্শ নিন। সেই নিয়মেই পানি খান। পানির সঙ্গে ফুসফুসেরও সম্পর্ক অনেক গভীর। ফুসফুসের মিউকোসাল লাইলিংগুলোকে সরু ও কার্যক্ষম করে তুলতে পানির ভূমিকা অপরিসীম।

ছেড়ে দিন ধূমপান

ফুসফুসে নিকোটিন ও কার্বনের নানা যৌগ ফুসফুসে পৌঁছে তার চরম ক্ষতি করে। তাই ফুসফুস ভালো রাখতে অবশ্যই ধূমপানের বদভ্যাসে ত্যাগ করুন।

বসার ভঙ্গি

হ্যাঁ, আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্স-এর গবেষণা অনুসারে সোজা হয়ে না বসে শরীর কুঁচকে বা দুমড়ে মুচড়ে বসলে কিংবা সারাক্ষণ আধশোয়া হয়ে বসলে তা ফুসফুসকেও কুঁকড়ে রাখে। দীর্ঘদিন এমন অভ্যাস বজায় রাখলে তা ফুসফুসের খাঁচাকে ছোট করে দেয়। তাই সোজা হয়ে বসার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

Daily Amar bangladesh

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries