কিশোরগঞ্জে ৯৬ নমুনার সবাই নেগেটিভ, ১৯ নমুনা বাতিল, মোট শনাক্ত ১৭৬, সুস্থ ২

কিশোরগঞ্জ জেলায় সর্বশেষ পাওয়া নমুনা পরীক্ষা রিপোর্টে নতুন করে কারো করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ পজেটিভ ধরা পড়েনি। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) পাঠানো ২২৮ জনের নমুনার মধ্যে ১১৩ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পাওয়া যায়। এতে একজনের কোভিড-১৯ পজেটিভ ধরা পড়ে।

বাকি ১১৫ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে পাওয়া গেছে। এই ১১৫টি নমুনার মধ্যে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৯টি নমুনা বাতিল হয়ে গেছে। বাকি ৯৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় কারো মধ্যে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ফলে এই ভাইরাসে কিশোরগঞ্জ জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়েনি।

আগের দিন রোববার (২৬ এপ্রিল) পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ জেলায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৭৬ জন ছিল, তাই রয়েছে। তবে এর বাইরে আগে আরো তিনজনের করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ পজেটিভ অন্যত্র শনাক্ত হয়েছে।

এই তিনজনের মধ্যে একজন হোসেনপুর উপজেলা ও বাকি দুইজন তাড়াইল উপজেলার। এই তিনজন নিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলায় মোট করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৭৯ জন।

এদিকে সোমবার (২৭ এপ্রিল)নতুন করে কারো করোনাভাইরাস শনাক্ত না হলেও এদিন জেলায় আরো একজন করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন। তাঁর নাম ডা. আরিফ আহমেদ জনি। তিনি করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক।

এর আগে গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) আরো একজন করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন। তিনি ইটনা সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রশীদ। তার বাড়ি ইটনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বেতেগা গ্রামে।

এছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলায় করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ পজেটিভ শনাক্ত হওয়া ১৭৯ জনের মধ্যে এক শিশুসহ তিনজন মারা যাওয়া ব্যক্তি রয়েছে। তিনজনেরই মারা যাওয়ার পর নমুনা পরীক্ষায় কোভিড-১৯ পজেটিভ ধরা পড়ে।

মারা যাওয়া তিনজন হলো, করিমগঞ্জ উপজেলার জঙ্গলবাড়ি মুসলিমপাড়া গ্রামের সেলিম মিয়া (৪৬), কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের বড়বাজার টেনু সাহার গলি এলাকার নিতাই (৬০) এবং হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দক্ষিন পানান গ্রামের ১০ বছর বয়সী শিশু মিজান।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত পৌনে ৯টার দিকে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানান, কিশোরগঞ্জ জেলা থেকে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ২২৮ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ১১৩ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট ঢাকা থেকে রোববার (২৬ এপ্রিল) পাঠানো হয়। বাকি ১১৫টি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পেন্ডিং ছিল।

পেন্ডিং ১১৫ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে পাওয়া গেছে। এই ১১৫টি নমুনার মধ্যে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৯টি নমুনা বাতিল হয়ে গেছে। বাকি ৯৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৯৬ জনেরই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

উপজেলাওয়ারী হিসাবে, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ১৫ জন, হোসেনপুর উপজেলার ৩ জন, করিমগঞ্জ উপজেলায় ১৬ জন, তাড়াইল উপজেলায় ২৪ জন, পাকুন্দিয়ায় উপজেলায় ৪ জন, কটিয়াদী উপজেলায় ১২ জন, কুলিয়ারচর উপজেলায় ১০ জন, ভৈরব উপজেলায় ৪৩ জন, নিকলী উপজেলায় ৫ জন, বাজিতপুর উপজেলায় ৬ জন, ইটনা উপজেলায় ১১ জন, মিঠামইন উপজেলায় ২৪ জন ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

তবে এর বাইরে হোসেনপুর উপজেলার একজন ও তাড়াইল উপজেলার দুইজনের করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ পজেটিভ অন্যত্র শনাক্ত হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান আরো জানান, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল), শনিবার (২৫ এপ্রিল), রোববার (২৬ এপ্রিল) ও সোমবার (২৭ এপ্রিল) পাঠানো নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট এখনো পেন্ডিং রয়েছে।

Daily Amar bangladesh

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries