ঢাকার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে করোনা, আক্রান্ত সাড়ে ১০ হাজার ছাড়াল

করোনাভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩৭০ জনের মৃত্যু হলো। এ ছাড়া এই সময়ে নতুন করে আরো এক হাজার ২৫২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট ২৫ হাজার ১২১ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় আক্রান্ত হয়েছে ১০ হাজার ৫০৪ জন। যা মোট আক্রান্তের ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

আজ মঙ্গলবার সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, রাজধানীর আব্দুল্লাহপুরে তিনজন, আফতাবনগরে একজন, আদাবরে ২৮ জন, আগারগাঁওতে ২৮ জন, আমিনবাজারে দুজন, আমলাপাড়ায় দুজন, আরামবাগে আটজন, আরমানিটোলায় পাঁচজন, আসাদগেটে একজন, আশুলিয়াতে দুজন, আশকোনায় দুজন, আজিমপুরে ৪১ জন, বাবুবাজারে ১২৬ জন, বাড্ডায় ১০৮ জন, বেইলী রোডে ১৯ জন, বকশিবাজারে আটজন, বাদামতলিতে দুজন, বারিধারায় ১৫ জন, বনশ্রীতে ২০ জন, বনানীতে ৬১ জন, বাংলামোটরে সাতজন, বংশালে ৮৫ জন, বানিয়ানগরে একজন,বাসাবোতে ৮০ জন।

বিজয়নগরে একজন, বসুন্ধরায় ৩১ জন, বেগুনবাড়িতে চারজন, বেগমবাজারে একজন, বেড়িবাঁধে একজন, বকশিবাজারে পাঁচজন, বসিলাতে একজন, বুয়েট এরিয়াতে একজন, ক্যান্টনমেন্টে ১৪ জন, সেন্ট্রাল রোডে দুজন, চানখারপুলে ৩৭ জন, চকবাজারে ৭১ জন, দনিয়াতে ১৩ জন, দক্ষিণখানে চারজন, ঢাকেশ্বরীতে একজন, ডেমরায় ২৭ জন, ধানমন্ডিতে ১১৬ জন, ধলপুরে ১৮ জন, ধোলাইপাড়ে ছয়জন, ধোলাইখালে দুজন, দয়াগঞ্জে তিনজন, এলিফেন্ড রোডে ২১ জন, ইংলিশ রোডে একজন, ইস্কাটনে ৪৬ জন, ফার্মগেটে ৩৮ জন, ফরাশগঞ্জে দুজন, ফরিদাবাদে একজন, ফকিরাপুলে তিনজন, ফুলবাড়িয়াতে ১৬ জন, গেণ্ডারিয়াতে ৮৭ জন, গাবতলীতে দুজন, গোলারটেকে একজন, গোরানে ১৪ জন, গোলাপবাগে ১০ জন, গণকটুলিতে চারজন, গোপীবাগে ৩৩ জন, গ্রিনরোডে ৪২ জন, গুলিস্থানে ১১ জন, গুলশানে ৭৫ জন, হাতিরঝিলে ছয়জন, হাজীপাড়ায় তিনজন, হাজারীবাগে ৭০ জন, হাতিরপুলে ১৭ জন, ইব্রাহিমপুরে ৯ জন, ইন্দিরা রোডে পাঁচজন, ইসলামপুরে সাতজন, ইসলামবাগে ৯ জন, জেলগেটে দুজন।

যাত্রাবাড়ীতে ২৭৪ জন, জুরাইনে ৪৯ জন, জিনজিরাতে একজন, ঝিগাতলাতে ১২ জন, কাফরুলে ৯ জন, কল্যাণপুরে ৩০ জন, কলাবাগানে ৩০ জন, কাকরাইলে ২৯৮ জন, কাঁঠালবাগানে ১২ জন, কমলাপুরে ১৬ জন, কাজলায় তিনজন, কামরাঙ্গীচরে ৪৬ জন, কাজীপাড়ায় ১১ জন, কাওরানবাজারে ১৫ জন, করাতিটোলায় একজন, কসাইটোলিতে একজন, কচুক্ষেতে চারজন, খিলগাঁওতে ৯৮ জন, খিলক্ষেতে ছয়জন, কলতাবাজারে একজন, কদমতলীতে ১০ জন, কোতায়ালীতে ২৭ জন, কুতুবখালীতে সাতজন, কুড়িলে ছয়জন।

লালমাটিয়াতে ৩৩ জন, লালবাগে ১২৬ জন, লক্ষ্মীবাজারে ১৯ জন, মাদারাটেকে সাতজন, মালিটোলায় চারজন, মালিবাগে ১১৯ জন, মাটিকাটায় পাঁচজন, মান্ডায় ৩২ জন, মানিকনগরে ৩৬ জন, মানিকদিতে একজন, মাতুইয়ালে আটজন, মেরুলে একজন, মেরাদিয়তে ৯ জন, মিন্টুরোডে পাঁচজন, মীরহাজারীবাগে পাঁচজন, মিরপুরে ১০৯ জন, মিরপুর-১ নম্বরে ৬৪ জন, মিরপুর-২ নম্বরে ১৫ জন, মিরপুর-৬ নম্বরে ১৪ জন, মিরপুর-৭ নম্বরে চারজন, মিরপুর- ১০ নম্বরে ২৫ জন, মিরপুর-১১ নম্বরে ৫০ জন, মিরপুর-১৪ নম্বরে ৪৫ জন, মিটফোর্ডে ৪৪ জন, মগবাজারে ১৫১ জন, মনিপুরে তিনজন, মহাখালীতে ২৫৯ জন, মহনপুরে একজন, মোহাম্মদপুরে ২২৪ জন, মতিঝিলে ১৬ জন, মুগদায় ২২১ জন।

নওয়াবপুরে পাঁচজন, নাজিরাবাজারে ১০ জন, নারিন্দায় ৩৭ জন, নিউমার্কেটে ১৪ জন, নিকেতনে পাঁচজন, নীলক্ষেতে চারজন, নাখালপাড়ায় ৩০ জন, নয়াবাজারে ৪৪ জন, নীমতলিতে ১০ জন, নিকুঞ্জতে দুজন, পল্লবীতে ২১ জন, পান্থপথে ২৬ জন, পাইকপাড়াতে চারজন, পল্টনে ৩৭ জন, পীরেরবাগে ১০ জন, পোস্তাগোলায় আটজন, পুরানা পল্টনে ২৭ জন, রাজারবাগে ২০৭ জন, রামপুরায় ৬৪ জন, রমনায় ৫০ জন, রসুলবাগে চারজন, রাজাবাজারে ২১ জন, সবুজবাগে ১৪ জন, রসুলপুরে পাঁচজন, রূপগঞ্জে একজন, রায়েরবাগে ১৫ জন, শাহবাগে ৭৫ জন, সদরঘাটে পাঁচজন, রায়েরবাজারে ১৬ জন, শাহাজাহানপুরে ৩৬ জন, শংকরে তিনজন, সায়দাবাদে ১৫ জন, সেগুনবাগিচায় ১৫ জন, সাইন্সল্যাবে একজন।

শাহ আলীবাগে দুজন, শাখারীবাজারে ৩২ জন, শান্তিবাগে ২৯ জন, শ্যামপুরে ১২ জন, শান্তিনগরে ৪২ জন, শ্যামলীতে ৭৩ জন, শেওড়াপাড়ায় ১০ জন, শেখেরটেকে একজন, শহীদনগরে ৯ জন, সোয়ারীঘাটে তিনজন, সিপাহীবাগে চারজন, সিদ্ধেশরীতে ১৪ জন, শনির আখড়ায় ১৯ জন, স্বামীবাগে ৫৬ জন, শেরেবাংলা নগর ৩১ জন, সূত্রাপুরে ৪০ জন, টোলারবাগে ১৯ জন, তালতলায় চারজন, তাঁতীবাজারে ১৭ জন, টিকাটুলিতে ২৬ জন, তেজকুনিপাড়াতে তিনজন, তেজগাঁওতে ১৫৩ জন, তুরাগে দুজন, তেজতুরীবাজারে পাঁচজন, টঙ্গীতে ১৪ জন, উর্দুরোডে একজন, উত্তরাতে ১৬২ জন, ভাটারাতে ১৫ জন, ভাষানটেকে তিনজন, ওয়ারীতে ৭৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।

Daily Amar bangladesh

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries