‘বিচ্ছেদ আমার জীবনে আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল’
নিউজ ডেস্ক:
পুরনো প্রেম ও বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলেছেন উদিতি সিং। তার মতে, সেই বিচ্ছেদই শেষ পর্যন্ত জীবনে আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল।
নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে উদিতি বলেন, ‘আমার কাছে বিচ্ছেদটা সত্যিই ছদ্মবেশে আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল।’
সম্পর্কে অশান্তির কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে উদিতি জানান, করোনাকালীন সময়ে লকডাউনে তিনি ও তার প্রেমিক গোল্ডেন রিট্রিভার প্রজাতির একটি কুকুর দত্তক নিয়েছিলেন। নাম রেখেছিলেন নোয়া। কিন্তু পরে কুকুরটির দেখভাল নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো।
শুধু পোষ্য নয়, ঘর পরিষ্কার রাখা ও দৈনন্দিন অভ্যাস নিয়েও দুজনের মধ্যে মতের অমিল ছিল। উদিতি বলেন, ‘আমার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পদ্ধতি আলাদা, ওর আলাদা।’ এসব বিষয়ও তাদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি করেছিল।
সাবেক প্রেমিকের সঙ্গে বয়সের ব্যবধানও সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছিল বলে দাবি উদিতির। তার অভিযোগ, সঙ্গী অনেক সময় তার ওপর কর্তৃত্ব দেখানোর চেষ্টা করতেন। তাকে বলা হতো, ‘তুমি এটা পারবে না, তুমি জানো না ওটা কীভাবে করতে হয়। সঙ্গীই যদি আপনাকে নিরুৎসাহিত করে…।’
সম্পর্ক ভেঙে যাওয়াকে জীবনের শেষ বলে মনে করেন না উদিতি। তার মতে, দুজন মানুষের একসঙ্গে থাকার জন্য সময় ও পরিস্থিতিরও ভূমিকা রয়েছে। সব চেষ্টা করেও কখনো কখনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না।
২০১৯ সালে উদিতি ও কর্ণের সম্পর্কের শুরু। তখন তারা প্রকাশ্যে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি। ‘বিগ বস্ ২০’-তে উদিতি জানান, লন্ডনের একটি রেস্তোরাঁ নিয়ে ইনস্টাগ্রামে কর্ণকে বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। এরপর কর্ণ লন্ডনে গেলে তাদের দেখা হয়। প্রায় দুই মাস নিয়মিত কথা বলার পর সম্পর্কে জড়ান তারা।

