আবরার হত্যায় এ পর্যন্ত ১৬ জন গ্রেফতার: ডিএমপি অতি: কমিশনার

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা ঘটনা এ পর্যন্ত ১৬জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) আবরার হত্যাকান্ডের বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান ডিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও সিটিটিসি প্রধান মোঃ মনিরুল ইসলাম বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)।

তিনি জানান, আজ বৃহস্পতিবার ১০ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২জন এজাহারনামীয় ও ৪জন বহির্ভূত।

এজাহারনামীয়রা হলেন ১। মেহেদী হাসান রাসেল, ২। মোঃ অনিক সরকার, ৩। ইফতি মোশাররফ সকাল, ৪। মোঃ মেহেদী হাসান রবিন, ৫। মোঃ মেফতাহুল ইসলাম জিওন, ৬। মুনতাসির আলম জেমি, ৭। খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, ৮। মোঃ মুজাহিদুর রহমান, ৯। মুহতাসিম ফুয়াদ, ১০। মোঃ মনিরুজ্জামান মনির ১১। মোঃ আকাশ হোসেন ও ১২। হোসেন মোহাম্মদ তোহা।

এজাহার বহির্ভূতরা হলেন, ১। ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, ২। অমিত সাহা, ৩। মোঃ মিজানুর রহমান ওরফে মিজান ও ৪। শামসুল আরেফিন রাফাত।

এ সময় তিনি বলেন, বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদ রাব্বীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহার দায়ের করার পূর্বেই ৭ অক্টোবর, ২০১৯ তারিখ ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের প্রত্যেকেই ৫ দিনের রিমান্ড এনে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এছাড়াও ৮ অক্টোবর, ২০১৯ তারিখ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদেরও ৫ দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আজ (১০ অক্টোবর, ২০১৯) আরও ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

তিনি বলেন, ঘটনার সাথে যারাই প্রত্যেক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকুক প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনা হবে। মামলাটি পেশাদারিত্ব ও সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে যদি কারও কাছে কোন তথ্য থাকে তবে আমাদেরকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন।

উল্লেখ্য, রোববার (৬ অক্টোবর, ২০১৯) দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবরারকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনা সংক্রান্তে নিহতের বাবা মোঃ বরকত উল্লাহ ১৯জনসহ অজ্ঞাতনামা কয়েক জনকে অভিযুক্ত করে চকবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ করলে একটি হত্যা মামলা রুজু হয়। পরবর্তী সময়ে চকবাজার থানায় রুজুকৃত মামলাটির তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) তে হস্তান্তর করা হয়। সুত্র: ডিএমপি

দৈনিক আমার বাংলাদেশ

দৈনিক আমার বাংলাদেশ