বাবার কফিনের পাশে শোকে বিহ্বল আদরের মেয়ে রীমার কান্না

স্টাফ রিপোর্টার

থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে বাবার মরদেহের পাশে তাঁর একমাত্র আদরের মেয়ে রীমা। ৫ জানুয়ারি থাইল্যান্ড থেকে কফিনে শুয়ে প্রিয় মাতৃভূমিতে ফেরার সময়েও রীমা ছিলেন বাবার পাশে। বিমানবন্দরে সবার প্রিয় রাজনীতিবিদ সৈয়দ আশরাফের মরদেহ বিনম্র শ্রদ্ধায় গ্রহণ করা হয়। এ সময়ও বাবার কফিনের পাশে ছিলেন রীমা। বিমানবন্দর থেকে লাশ অ্যাম্বুলেন্সে করে বেইলি রোডে সৈয়দ আশরাফের সরকারি বাসভবনে নেয়ার পর প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো দেখতে ভিড় করেন আত্মীয়স্বজন ও তার রাজনৈতিক সহকর্মীরা। কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। বাবার কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে অঝোরে কাঁদেন রীমাও। সেখান থেকে রাতেই মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে নেয়া হয়। সেখানেও ছুটে যান রীমা। হিমঘরে বাবার কফিন আঁকড়ে ধরে বিরামহীন কাঁদছিলেন রীমা। পরদিন (৬ জানুয়ারি) সংসদ ভবন চত্বরে জানাজা শেষে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর বাবাকে বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। তখনো কফিনের পাশে শোকে বিহ্বল রীমা কাঁদছেন। সেখান থেকে কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহে আরো দু’দফা জানাজা শেষে বাদ আসর বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন শুদ্ধ রাজনীতির মানুষটি। সব জায়গাতেই বাবার কফিনের পাশে ছিলেন রীমা। কফিনের দিকে তাকিয়েছেন আর কেঁদেছেন রীমা ইসলাম। এ কান্না যেন শেষই হবার নয়। সৈয়দা রীমা ইসলাম প্রয়াত জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের একমাত্র সন্তান। ২০১৭ সালের ২৩শে অক্টোবর হারিয়েছেন প্রিয় মা সৈয়দা শিলা ইসলামকে। মাত্র সাড়ে ১৪ মাসের ব্যবধানে গত ৩রা জানুয়ারি হারিয়েছেন প্রিয় বাবাকে। বাবার কফিনের পাশে রীমা ইসলামের এই বুক ফাটা আর্তনাদ তাই ছুঁয়ে যায় পুরো বাংলাদেশকে। সোশ্যাল মিডিয়ার ফেসবুক-টুইটারজুড়ে এখন কেবলই রীমা ইসলামের বেদনার্ত মুখচ্ছবি। কেবল রীমা নয় সৈয়দ আশরাফের এই মহাপ্রয়াণে কাঁদছে কিশোরগঞ্জ, কাঁদছে বাংলাদেশ।

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries