কিশোরগঞ্জ-১ আসনে গ্রাম গঞ্জে আলোচনায় জাতীয় পার্টির হাজী মুস্তাইন বিল্লাহ
স্টাফ রিপোর্টার
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে জাতীয় পার্টির দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন হোসেনপুরের কৃতি সন্তান হাজী মুস্তাইন বিল্লাহ।
নির্বাচনী প্রত্যন্ত এলাকায় সভা, সমাবেশ, গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের কাছে আলোচনায় এসেছেন। এ আসন থেকে জাতীয় পার্টির অনেক মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সার্বণিক যোগাযোগ রেখেছেন তিনি। এ আসনটিতে মতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন। এত হেভিওয়েট প্রার্থীদের মাঝে তিনিও সাধারণ মানুষের আলোচনায় রয়েছেন। দুই উপজেলায় বিলবোর্ড, ফেস্টুন-পোস্টারসহ পথসভা, কর্মীসভা ও গণসংযোগের কর্মসূচি দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে নিজের প্রার্থিতার জানান দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগ-বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীদের সঙ্গে তিনিও একজন মনোনয়ন প্রত্যাশী। এ ব্যাপারে জানতে চাই হাজী মুস্তাইন বিল্লাহ বলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ও প্রতিমন্ত্রী মজিবুল হক চুন্নুর নির্দেশানুযায়ী গত ২০০৮ ও ২০১৪ সালে সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ ১ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন দাখিল করে মহাজোট গত কারনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে। তখন থেকেই মাঠে কিশোরগঞ্জ পৌরসভা, উপজেলা, ১১ ইউনিয়ন, হোসেনপুর পৌরসভা, থানা কমিটি সহ সকল ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির কমিটি গঠন কল্পে সার্বিক সহযোগিতা করে। তিনি ছাত্র জীবন থেকে সাবেক জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। বর্তমান জাতীয় মৎসজীবী পার্টির কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। চট্টগ্রাম বন্দর ঠিকাদার সিএনএফ ঠিকাদার কল্যাণ কমিটির সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি হোসেনপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আজীবন দাতা সদস্য। তিনি আরো বলেন মহাজোট যদি আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেয় তাহলে মহাজোট কে জাতীয় পার্টির একনিষ্ট কর্মী হিসেবে এ আসনটি আমি উপহার দিব। এ বিষয়ে জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সদর উপজেলা জাতীয় যুব সংগতির আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম সোহাগ বলেন তিনি দীর্ঘ দিন থেকে কিশোরগঞ্জ সদর হোসেনপুর উন্নয়ন মূলক ও তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে আসছেন। তাই তিনি মনোনয়ন পেলে সিউর এ আসনে জাতীয় পার্টি নির্বাচিত হবে।

