তাড়াইলে ফার্নিসার মার্কেটে আগুন তিনটি দোকান পুড়ে ছাই

আমিনুল ইসলাম বাবুল :
কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার ধলা ইউনিয়নের সেকান্দরনগর কড়ইতলা মোড়ে বুলবুল আহমেদ এর মালিকাধীন ফার্নিসার মার্কেটের তিনটি ফার্নিসার দোকান আগুনে পুড়ে গেছে। আগুনের লেলিহান শিখা দেখে আশপাশের লোকজন চিৎকার শুরু করেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত লোক ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের খবর সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশকে জানানো হয়। মার্কেটের মালিক ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়িদের সূত্র জানায়, এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার য়তি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। মার্কেটের মালিক, তিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও দমকল বাহিনীর ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৭ নভেম্বর) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার সেকান্দরনগর কড়ইতলা মোড়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন ওই ফার্নিসার মার্কেটে আগুন লাগে। প্রথমে স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালায়। পরে তাড়াইল থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট এসে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। একটি দোকানের মালিক শফিকুল বলেন, তার দোকানে প্রায় সাত থেকে আট লাখ টাকার তৈরি ফার্নিসার ছিল। অন্য দোকানের মালিক জহিরুল ও হানিফ বলেন, ভোরে লোকজনের চিৎকার শুনতে পান। এরপর এসে দেখেন মার্কেট আগুন জ্বলছে। চোখের সামনেই দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই হয়। তাদের দোকানে আট-নয় লাখ টাকার তৈরি ফার্নিসার ও কাঠ আগুনে সবই পুড়ে গেছে। মার্কেটের মালিক বুলবুল আহমেদ জানান, শনিবার ভোরে খবর পেয়ে ছুটে এসে দেখেন মার্কেটে উপরে আগুনের লেলিহান শিখা বের হচ্ছে। এ সময় তিনি শফিকুল, হানিফ, জহিরুল ও আবুল বাশার, দীন ইসলাম এর দোকানে আগুন জ্বলছে দেখেন। চোখের সামনেই মার্কেটের অর্ধেক অংশ পুড়ে ছাই হয়। তাড়াইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. হাবিবুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা কর হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তাড়াইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজিজুল হক ভূঞা মোতাহার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লুৎফুন নাহার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়িদের সাথে কথা বলেন।

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries