গুজবে ছুটে গিয়েছিল শিক্ষার্থীরা, আ.লীগ কার্যালয় ঘুরে জানাল প্রতিনিধি দল
ওই কার্যালয়ে কাউকে আটকে রাখা হয়েছে কিনা- তা ঘুরে দেখার পর শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল শনিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের একথা জানায়।
প্রতিনিধি দলের একজন ঢাকা আইডিয়াল কলেজের ছাত্র কাজী আশিকুর রহমান তূর্য বলেন, দুপুরে হঠাৎ কিছু লোক বলে, আমাদের চারজন বোনকে আর কয়জন ছেলেকে আওয়ামী লীগ অফিসে আটকে রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের মেরে ফেলা ও আটকে রাখার যে তথ্য আমরা পেয়েছিলাম, তা গুজব। গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা ছুটি এসেছিল। কিন্তু আমরা আওয়ামী লীগ অফিসে এসে দেখলাম, এমন কিছু ঘটেনি। আপনারা কেউ গুজবে কান দেবেন না।
তেজগাঁ কলেজের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান অপু বলেন, আমরা কার্যালয় ঘুরে দেখেছি সেখানে আমাদের কাউকে আটকে রাখা হয়নি। চারজনকে আটকে রাখা হয়েছে ও কয়েকজন মেয়েকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে- এমন অভিযোগ সবাই ছুটে এসেছিল। এরপরই ভাংচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার দুপুর দুইটার পরে চার শিক্ষার্থীকে ‘ধরে নিয়ে’ যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এসময় নিরাপদ সড়কের দাবিতে সাইন্সল্যাব এলাকা ও জিগাতলা মোড়ে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের দিকে ছুটে যায়।
এরপর কার্যালয়ে থাকা আওয়ামী লীগ কর্মীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ ও ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়া হয়। এক পর্যায়ে কার্যালয় লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়তে থাকে শিক্ষার্থীরা। এসময় পাশে বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের কার্যালয় লক্ষ্য করেও বিক্ষুব্ধরা ইট-পাটকেল ছোড়ে।
পরে সন্ধ্যার দিকে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। এরপরই শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে প্রবেশ করে। এরপর তারা সেখানে কাউকে আটকে রাখা হয়েছে কিনা- তা ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং আওয়ামী লীগের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে কথা বলেন।
এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা ঘরে ফিরে যাও।

