সাপাহারে জমিজমা বিরোধ কে কেন্দ্র করে রোজা রমজানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর সাপাহারে জমিজমা বিরোধ কে কেন্দ্র করে রোজা রমজানে এক বৃদ্ধকে মেরে রক্তাক্ত গুরুতর জখম করছে কতিপয় ব্যক্তিরা। ঘটনাটি ঘটেছে ১৯ মার্চ বুধবার সকালে  উপজেলার তিলনা ধন্টি পাড়া গ্রামে।
তিলনা ধন্টি পাড়া গ্রামের সাবেক  ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রমজান আলীর পুত্র সাজেদুল ইসলাম (তিব্বত) এর সাপাহার থানায় করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই যুগ পূর্বের ক্রয় কৃত জমিতে ঐদিন সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে আম  বাগান পরিচর্যা ও  বিষ স্প্রে করতেছিল তারা। ওই সময় আম বাগানে  একই গ্রামের আব্দুল মালেক এর ছেলে মাহমুদুল হাসান রনি(৩০), মৃত আজিম উদ্দিন মোল্লার ছেলে আব্দুল মালেক(৬০) আব্দুল মালেকের স্ত্রী আক্তার বানু ও ছেলের স্ত্রী রিক্তা খাতুন পরিকল্পিতভাবে  অপরিচিত ৪-৫ জন  হাতে লোহার রট সঙ্গে নিয়ে জোরপূর্বক প্রবেশ করে জমিতে থাকা তিব্বত সহ তার ভাই ও বাবাকে  এলোপাতাড়ী মারপিট শুরু করলে তার বৃদ্ধ পিতা রমজান আলী রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এ সময় স্থানীয় লোকজন জানতে পেলে তাকে উদ্ধার করে সাপাহার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।
সরেজমিন সূত্রে জানা যায়,  আব্দুল মালেক এর চাচাতো ভাই মৃত আব্দুর রশিদ এর কাছ থেকে প্রায় দুই যুগ পূর্বে তার অংশ মোতাবেক জমিটি রমজান আলী ক্রয় করে ৷ ক্রয় পর থেকে বিভিন্ন ঝামলার সৃষ্টি করলে স্থানীয়ভাবে রমজান আলীর পক্ষে রায় দিয়ে সমাধান করে দেন তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গন। তবে বর্তমান সংঘর্ষ  উভয় পক্ষের মধ্যে হয়েছে কম বেশি দুই পক্ষই মার খেয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
এ বিষয়ে অপরপক্ষের আব্দুল মালেকের সাথে কথা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান ওরা> নজরুল, দুলু ও রমজান আলীর তিন পরিবারের সকল সদস্য মিলে পরিকল্পিতভাবে আমাদের পরিবারের সকলকে মেরে অঙ্গ ভাঙচুর ও গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেছে, আমার হাত, ছেলের পা, স্ত্রীর হাত মেরে ভেঙ্গে দিয়েছে এবং আমার বৌমা ও মেয়ে সহ আমাদের সকলকে এলোপাতাড়ি ভাবে মেরে রক্তাক্ত যখম করেছে আমরা ওদের কাউকে মারেনি। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি ওরা নিজেদেরকে আইনি প্রক্রিয়ায় বাঁচানোর  জন্য থানায় পাল্টা অভিযোগ করেছে।
এ বিষয়ে সাপাহার থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আজিজ এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান উভয়পক্ষের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং  তদন্ত কার্যক্রম চলছে তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries