সান্তাহারে অভিযোগের তদন্ত ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি :

ডাক বিভাগের সান্তাহার আর এম এস অফিসের পরিদর্শক মোঃ রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে উঠা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন খুলনা আর এম এস ই বিভাগের সুপার মোঃ ওবায়দুর রহমান। তার বিরুদ্ধে উঠা অনিয়ম দুর্নীতির তদন্ত করে ৫ মাস আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রতিবেদনটি দাখিল করার পর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানাগাছে। তদন্ত প্রতিবেদনে সে দোষী না নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে কিনা সেটি জানাযায়নি।

সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ডাক বিভাগের সান্তাহার আর এম এস অফিসের পরিদর্শক মোঃ রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে অফিস প্রধানের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে অত্র অফিসের কর্মচারীদের নওগাঁ ও সান্তাহারের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণের টাকা উত্তোলন করে দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়াও অদধিনস্থ কর্মচারীদের ব্যাংকের ব্লাইং চেক নিজ হেফাজতে নেওয়াসহ নানা ধরনের অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠে। বিভাগীয় অফিস থেকে ওই অভিযোগ তদন্তের দায়ীত্ব দেওয়া হয় খুলনা আর এম এস ই বিভাগের সুপার মোঃ ওবায়দুর রহমানকে। ওই তদন্ত কমকর্তা পরিদর্শক মোঃ রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে উঠা অনিয়ম দুর্নীতি তদন্ত করে ৫ মাস আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তদন্ত প্রতিবেদনটি দাখিল করেন। তদন্ত চলাকালে পরিদর্শক রেজাউল করিমকে সান্তাহার আর এম এস অফিস থেকে ঈশ্বরদীতে বদলি করা হয়। এরমধ্যেই ৫ মাস যেতে না যেতে কোন এক অদৃশ্য শক্তির বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা তাকে ফের ঈশ্বরদী থেকে সান্তাহার আর এম এস অফিসে বদলির আদেশ দেন এবং সান্তাহার আরএমএস অফিস থেকে ৫মাস আগে যোগদানকারী ব্যাগ সহকারী কামচেকার সুরেশ চন্দ্রকে অন্যত্রো বদলির আদেশ দিয়েছেন। এই বদলির আদেশের পর ডাক বিভাগের সান্তাহার আর এম এস অফিসে কর্মচারীদের মাঝে বদলি আতংক দেখা দিয়েছে। এছাড়াও এলাকায় হোটেল,রেস্তরা চায়ের দোকানে এসব বদলি নিয়ে নানা জন নানা কথা বলছে। অনেকে বলছে বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে না ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে?।

এবিষয়ে তদন্ত কমকর্তা ডাক বিভাগের খুলনা আর এম এস ই বিভাগের সুপার মোঃ ওবায়দুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন অভিযোগটি তদন্ত করে সঠিক সময়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রতিবেদনটি দাখিল করেছি।

এব্যাপারে ডাক বিভাগের আর এম এস বিভাগ খুলনার ডিপিএমজি মোঃ মাহবুব হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কল রিসিভ করে রং নম্বর বলে ফোন কেটে দেন। সান্তাহার আর এম এস অফিসসহ বিভাগের কর্মচারীগণ এবং সচেতন মহল এবিষয়টি ডাক বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকতার সু দৃষ্টি কামনা করেছেন।

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries