বিদায়বেলার সংবর্ধনা আজীবন মনে রাখবেন প্রনোয়েল

পুলিশ কনস্টেবল পদে ৪০ বছর চাকরি করেছেন প্রনোয়েল দ্রং। আজ মঙ্গলবার তিনি অবসরে গেলেন। চাকরিজীবনের শেষ দিনটি স্মরণীয় করতে বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করেছিল শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানা-পুলিশ। সংবর্ধনা শেষে ফুল আর বেলুন দিয়ে সাজানো থানার ওসির সরকারি গাড়িতে তাঁকে পৌঁছে দেওয়া হয় গ্রামের বাড়িতে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে থানা চত্বরে প্রনোয়েল দ্রংকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় প্যান্ট, শার্ট, গেঞ্জি; তাঁর স্ত্রীর জন্য শাড়ি, জামা ও ফুল। বিদায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নালীতাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ, এসআই সাইদুর রহমান, এএসআই আমিনুল ইসলাম ও কনস্টেবল এমদাত।

সর্বশেষ নালিতাবাড়ী থানায় কনস্টেবল পদে দায়িত্ব পালন করেন প্রনোয়েল দ্রং। পরে ফুল দিয়ে সাজানো থানার ওসির সরকারি গাড়িতে করে শেষ কর্মস্থল নালিতাবাড়ী থেকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার সংড়া গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয় তাঁকে। ৪০ বছরের চাকরিজীবনের ইতি ঘটিয়ে আজ থেকে তাঁর অবসরোত্তর ছুটি শুরু হয়।
নালিতাবাড়ি থানার ওসি বছির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার সময়ে থানায় এই নিয়ে তিনজনের এ ধরনের ব্যতিক্রমী বিদায় অনুষ্ঠান করা হয়েছে। সত্যিকার অর্থে বিদায়বেলাটা খুব কষ্টের হয়। বিদায় মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতেই মূলত এই আয়োজন করা হয়েছে।’

প্রনোয়েল দ্রং মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার ৪০ বছর চাকরিজীবনে সম্মানের সঙ্গে কাজ করেছি।  চাকরিজীবন শেষে সম্মানের সঙ্গে বিদায় নেওয়া অনেক আনন্দের। ওসি স্যার, ছোট স্যাররা ও আমার সহকর্মীরা আমারে দারুণ সম্মান জানাইছেন। স্যারের গাড়ি ফুলে ও বেলুন দিয়ে সজ্জিত করে আমারে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছেন।’

শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানার কনস্টেবল প্রণোয়েল দ্রংয়ের শেষ কর্মদিবস ছিল আজ মঙ্গলবার। এ উপলক্ষে তাঁকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। শেষে তাঁকে পুলিশের গাড়িতে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয় প্রনোয়েল দ্রং আরও বলেন, ‘পুলিশের সাজানো গাড়ি দেখে গ্রামবাসী অনেকেই আমার বাড়িতে ভিড় করেছেন। পরে আমার সংবর্ধনার বিষয়টি জেনে গ্রামবাসী ও আত্মীয়স্বজন দারুণ খুশি হয়েছেন। বিদায়বেলার এই সম্মান আমার আজীবন মনে থাকবে।’

Source: Prothomalo

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries