‘পোশাক নিয়ে সমালোচকদের পাত্তা দিই না’

কিছুদিন আগেই প্রকাশিত হয়েছে নীনা গুপ্তার আত্মজীবনী ‘সাচ কাহু তো’। বইতে জীবনযুদ্ধ এবং একাকীত্ববোধের গল্প উঠে এসেছে অভিনেত্রীর। উঠে এসেছে ভাঙা প্রেম, মাসাবার জন্ম এবং পরিবার নিয়ে আরো অজানা গল্প।

সেই আত্মজীবনীর এক কপি নিজের হাতে গুলজারকে উপহার দেওয়ার জন্যে তাঁর বাড়ি ‘বসরা’-তে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। সেই সময়ে তাঁর পরনে ছিল হালকা নীল রিঙের শার্ট এবং শর্টস। বাড়িরই বাইরে এই অস্কারজয়ী গীতিকার এসে দাঁড়ালে সেই বইয়ের কপি নীনা তুলে দেন তাঁর হাতে। অস্কারজয়ী গীতিকারের সঙ্গে তাঁর এই সাক্ষাতের ভিডিও নিজের ইনস্টাগ্রামের দেওয়ালে পোস্ট করেন নীনা।

ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই বলিউড-অভিনেত্রী। কীভাবে গুলজারের মতো একজন ব্যক্তিত্বের সামনে এই পোশাকে হাজির হতে পারেন নীনা, প্রশ্ন তোলেন নেটিজেনরা। যদিও এই পোশাকে নীনার প্রশংসা করেন, অনিল কাপুর, সোশ্যাল মিডিয়া স্টার ডলি সিং সহ অন্যান্য নামী-দামী ব্যক্তিত্ব।

তবে একব্যক্তি সরাসরি নীনাকে কমেন্টে লেখেন ‘গুলজার সাহাব’-এর কাছে যাওয়ার আগে নীনার উচিত ছিল শাড়ি পরা। আবার কেউ কেউ অভিনেত্রীর উদ্দেশে পরামর্শ দিয়েছেন নিজের বয়সটাকে মাথায় রেখে সেই অনুযায়ী পোশাক নির্বাচন করতে। একধাপ এগিয়ে কোনও কোনও ট্রোলার বলছেন, ‘এই পোশাকে নীনাকে যেন অনেকটা কোনও স্কুলের ছাত্রীর মতো লাগছে যে হেড মাস্টার মশাইয়ের কাছে নিজের রিপোর্ট কার্ড দেখানোর জন্য হাজির হয়েছে।’

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রীতিমতো বিরক্ত হয়ে এবিষয় নীনা জানিয়েছেন, তিনি বুঝতে ব্যর্থ কেন এভাবে পোশাক নিয়ে তাঁকে ট্রোল করা হচ্ছে। এটা একেবারে যাচ্ছেতাই। ট্রোলের সজ্ঞা কী? প্রশ্ন তোলেন নীনা। অভিনেত্রীর কথায়, ‘এর অর্থ এই নয় যে বেশ কিছু লোক আপনার সমালোচনা করছে? আমি যে পরিমাণ প্রশংসা পেয়েছি তা দেখুন। আমি এমন ২-৪ জন লোকের কথা নিয়ে মাথা ঘামাই না’।

অভিনেত্রীর কথায়, এমন দু-চারজন লোককে তিনি গুরুত্ব দিতে চাননা। যাঁরা তাঁকে ভালবাসেন তাঁদের তুলনায় এই কয়েকজন ট্রোলার নগণ্য। কর্মক্ষেত্রে নীনাকে সম্প্রতি অর্জুন কাপুর দুটি ছবিতে দেখা গিয়েছিল- ‘সর্দার কা গ্র্যান্ডসন’ এবং ‘সন্দীপ ঔর পিঙ্কি ফারার’।

Source:Daily Kaler Kantho

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries