কাগুজে সম্পর্কে আস্থা নেই কৃতির

বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতি কুলহারি। ‘দ্য গার্ল অব অন দ্য ট্রেন’ ছবির এই অভিনেত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, স্বামী সাহিল সেহগালের সঙ্গে আর এক ছাদের নিচে থাকবেন না। বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেও এখনো কাগজে-কলমে আলাদা হননি তাঁরা। কাগুজে সম্পর্কে খুব একটা আস্থা নেই কৃতির।
ইনস্টাগ্রামে ৩৫ বছর বয়সী কৃতি বিবৃতি দিয়ে লিখেছেন, ‘একটা ছোট্ট তথ্য সবাইকে জানিয়ে রাখি। আমার স্বামী সাহিল ও আমি বিবাহবিচ্ছদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে কাগজে-কলমে নয়, জীবন থেকে। কারও সঙ্গে থাকার থেকে কারও সঙ্গে না থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়াটা খুব কঠিন।’ কৃতি আরও জানান, কারও সঙ্গে না থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রচণ্ড কষ্টের। এটা যতটা সহজ ভাবা হয়, অতটা সহজ নয়। তবুও কঠিনকেই বেছে নিলেন কৃতি। এই নিয়ে আর কোনো মন্তব্য করবেন না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। লিখেছেন, ‘জীবন জীবনের গতিতে চলবে।’ বৃহস্পতিবার এই বিবৃতি দেন তিনি।২০১৬ সালের জুন মাসে অভিনেতা সাহিল সেগালের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন কৃতি কুলহারি। স্বামীকে নিয়ে বেশ ভালোই ছিলেন তিনি। গত বছর ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘বিয়েটা আমার ক্যারিয়ারে বেশ প্রভাব ফেলছে। আমার স্বামী সিনেমা নিয়ে আমার থেকেও বেশি জানেন। তাঁর কাছে থাকে আমি অনেক কিছুই শিখেছি। আমরা একসঙ্গে সিনেমা দেখি, আলোচনা করি। আমি একজন অভিনেতা ও একজন মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠেছি। বিয়ের আগে আমার যত ধরনের আশঙ্কা ছিল, সবকিছু উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। অসাধারণভাবে ব্যক্তি আর অভিনেত্রী আমাকে সহযোগিতা করেছে। আমি এখন যেখানে আছি, তিনি ছাড়া সেখানে পৌঁছানো কঠিন হতো।’ এই সাক্ষাৎকারের এক বছরের মাথায় এল বিচ্ছেদের ঘোষণা।তবে কৃতির হঠাৎ কী হলো তা কিছুই জানা যায়নি। অভিনেত্রীর এই সিদ্ধান্তে পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর অভিনয়শিল্পী বন্ধুরা। বলিউড অভিনেত্রী দিব্যা দত্ত মন্তব্য ঘরে লিখেছেন, ‘বুকে আয় আমার।’ অমৃতা পুরি লিখেছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তুমি সৎ আর সাহসী।’ সায়ানী গুপ্ত লিখেছেন, ‘তুমি জানো, আমরা তোমার পাশেই আছি।’
কৃতি কুলহারিকে শেষ দেখা গেছে ‘দ্য গার্ল অন দ্য ট্রেন’ ছবিতে। এ ছাড়া তিনি একটি ওয়েব সিরিজের কাজে এখন ব্যস্ত। কৃতি ‘উরি: দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’, ‘ইন্দু সরকার’, ‘পিঙ্ক, ব্ল্যাকমেল’, ‘মিশন মঙ্গল’ ছবিতে অভিনয় করেছেন।

Source:Daily Prothom Alo

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries